উদ্ভিদবিজ্ঞান সংক্রান্ত জ্ঞানকে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ বোটানিক্যাল সোসাইটি ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের উদ্যোগে বাংলাদেশ জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘর এবং হামদার্দ ওয়াক্ধসঢ়;ফ বাংলাদেশ-এর সহায়তায় প্রথমবারের মতো

‘বাংলাদেশ বোটানি অলিম্পিয়াড-২০১৭ (ঢাকা অঞ্চল)’ অনুষ্ঠান আজ (২৫নভেম্বর-২০১৭, শনিবার, সকাল ৯.৩০টায়) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, মশাল প্রজ্জ্বলন ও বেলুন উড়িয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে অলিম্পিয়াডের উদ্বোধন করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান। এরপর উপাচার্যের নেতৃত্বে একটি র‌্যালি পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালিতে অতিথিবৃন্দ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। র‌্যালি শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আলোচনা সভা, পরীক্ষা ও প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, “মানুষের বেঁচে থাকার নতুন নতুন কৌশল অর্জনে বিজ্ঞানের জ্ঞান অপরিহার্য। মানুষের চাহিদা অনুসারে খাদ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি, জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ থেকে শুরু করে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে উদ্ভিদবিজ্ঞানের প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ প্রভাব রয়েছে। তাই এই ধরনের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মদের মাঝে উদ্ভিদবিজ্ঞান শিক্ষার আগ্রহ আরো বৃদ্ধি পাবে এবং তরুণেরা দেশের উন্নয়নে আরো বেশি ভূমিকা রাখবে। এছাড়া বিজ্ঞানের উন্নয়নে তরুণ গবেষকদেরও ভূমিকা রাখতে হবে।”
বোটানি অলিম্পিয়াড উদ্ধসঢ়;যাপন কমিটি-২০১৭- এর আহ্বায়ক (ভারপ্রাপ্ত) এবং উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মোঃ মনিরুজ্জামান খন্দকার-এর সভাপতিত্বে এবং উদ্ধসঢ়;যাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বিভাস কুমার কুমার সরকার-এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার অধ্যাপক মোঃ সেলিম ভূঁইয়া এবং ঢাকার জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর-এর মহা-পরিচালক স্বপন কুমার রায়।
এছাড়াও প্রশ্নত্তোর পর্বে অংশগ্রহণ করেন উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃমনিরুজ্জামান খন্দকার, অধ্যাপক ড. কাজী সাখাওয়াত হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. আবদুল আজিজ, অধ্যাপক ড. শামীম শামছি,চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আজিজুর রহমান প্রমুখ। উল্লেখ্য, ঢাকা মহানগরীর উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের ১৭টি উল্লেখযোগ্য কলেজের প্রায় তিন শতাধিক শিক্ষার্থী অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করেন। অতিথিবৃন্দ বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে সার্টিফিকেট ও পুরস্কার তুলে দেন।
অলিম্পিয়াডে দশজন শিক্ষার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।