সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার গঙ্গারজল সিরাজপাড়া গ্রামের সাফিয়া বেগম। তার বাবা আজমল হোসেন নার্সের চাকরি করেন সিলেটের কুষ্ঠ হাসপাতালে এবং মা হুসনে আরা খাতুন সিলেট ওসমানী হাসপাতালের নার্স। বাবা-মার সাথে সিলেটের বাগবাড়ি শামীমাবাদে বসবাস করে সাফিয়া। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

সাফিয়া বেগম: সাফিয়া বেগম বাগবাড়ি পিডিবি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী। ৪.৭৫ পয়েন্ট পেয়ে সে কাজলশাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পিইসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিল।

জন্ম থেকে হাত-পা ছাড়া হার না মানা প্রতিবন্ধী মেয়ে সাফিয়া বেগম এবার জেএসসি পরীক্ষায় গ্রেডে ৪.২৯ অর্জন করে। সে জানায়, চিত্র আঁকতে সমস্যার কারণে অংকে মার্ক কম পেয়েছে। তাই এ প্লাস পায়নি। তার দাবি এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করবে।সাফিয়া জানায়, সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে শিক্ষক হবে। দরিদ্র শিশুদের শিক্ষিত করার ইচ্ছা তার।

সাফিয়ার বাবা আজমল হেসেন বলেন, সাফিয়ার জন্ম হয় হাত-পা বিহীন। জন্মের পর পাঁচ বছর বয়সে সে নিজে নিজে লেখাপড়া করার আগ্রহ দেখায়। আমি ও তার মা কুলে করে তাকে স্কুলে নিয়ে যেতাম। আমাদের এই একমাত্র সন্তান সাফিয়াকে উচ্চশিক্ষিত করতে চাই।মা হুসনে আরা খাতুন বলেন, প্রতিবন্ধী হলেও সে মেধাবী। আমার মেয়ে সমাজের বোঝা হয়ে থাকতে চায় না। এই মেধাবী সন্তানকে নিয়ে আমি গর্বিত। সাফিয়াকে মানুষের মত মানুষ করাই আমাদের লক্ষ্য।