জাজ মাল্টিমিডিয়ার হাত ধরে চলচ্চিত্রের নায়িকা হিসেবে জলির অভিষেক হয়। জলির অভিষেকটা ছিল চমকপ্রদ। চিত্রনায়িকা মাহি অভিনয় ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার কিছুদিন পরে জাজ মাল্টিমিডিয়া একই সাথে দুজন চিত্রনায়িকাকে সকলের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়। তাঁদেরই একজন ফাল্গুনী রহমান জলি।

ওয়াজেদ আলী সুমন পরিচালিত যৌথ প্রযোজনার চলচ্চিত্র ‘অঙ্গার’-এ অভিনয়ের মাধ্যমে রুপালি পর্দায় জলির অভিষেক ঘটে। আগে কখনো অভিনয় করেননি- জলিকে উপস্থাপনের সময় জাজ মাল্টিমিডিয়ার পক্ষ থেকে এমন ঘোষণা দেওয়া হলেও জানা যায় এর আগে ২০১৪ সালের ২০ জুন তারিখে গুড বাই মাই লাভ শিরোনামের চলচ্চিত্রের মহরতে নায়িকা হিসেবে তিনি উপস্থিত ছিলেন। জলি এখন পর্যন্ত জ্বলে উঠতে পারেননি। বেশ কয়েকটি ছবিতে অভিনয় করেন। অঙ্গারের পর ‘নিয়তি’ ছিল জলির টার্নিং ছবি। সেখানেও বাজারটা অ্যাভারেজ ছিল। এরপর ‘মেয়েটি এখন কোথায় যাবে’ ছবিতে অভিনয় করেন জলি। এই ছবিতে এক্সপেরিমেন্টাল অভিনয় করেন জলি। কিন্তু ঘুরে দাঁড়ানোটা তারপরও মুশকিল হয়ে যায়। এখন অবশ্য জলি নতুনভাবে ঘুরে দাঁড়াতে চান। আর এ জন্য অবশ্য পরিশ্রমও কম কিছু করছেন না। নিয়মিত শরীরচর্চায় নিজেকে ব্যস্ত রাখছেন। নিজের শরীরের প্রতি যথেষ্ট মনোযোগী এই তরুণ অভিনেত্রী। পাশাপাশি অভিনয়ের প্রতি মনোযোগ তো বাড়িয়েছেনই।

ছোটবেলায় শিশু একাডেমিতে নাচ এবং গান শিখেছিলেন জলি। জাজ মাল্টিমিডিয়ার সাথে যুক্ত হবার পর তাদের উদ্যোগেই ভারতে গিয়ে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। চার ভাইবোনের মধ্যে জলি তৃতীয়। ঢাকাতেই বেড়ে উঠেছেন তিনি। জলির বাবা সেলিম চৌধুরী একজন ব্যবসায়ী। মা শাহীন চৌধুরী গৃহিণী। জলি চলচ্চিত্রে আগমনের পূর্বে গুলশান ইন্টারন্যাশনাল স্কুল থেকে ও এবং এ লেভেল সম্পন্ন করেন।