এ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে ফুটে উঠেছে একজন গ্রামীণ বৃদ্ধের প্রিয়জন হারানোর মর্মান্তিক স্মৃতিচারণ। বৃদ্ধ তার জীবদ্দশার শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে জীবনের মর্মান্তিক অধ্যায় গুলো উন্মোচন করেছেন একমাত্র অবলম্বন নাতির কাছে।

কবরস্থানে গিয়ে তিনি এক এক করে নাতিকে তার স্ত্রী, পুত্র, পুত্রবধূ , নাতনী ও সাত বছরের কন্যার কবর দেখিয়ে বেদনার্ত কন্ঠে বর্ণনা করেছেন তাদের মৃত্যুর মর্মান্তিক স্মৃতিগুলো। এতো গুলো আপনজনের মৃত্যুতে বৃদ্ধের হ্নদয় ক্ষত-বিক্ষত। আজ সেই হ্নদয় থেকে নাতির কাছে উৎসারিত হচ্ছে চোখের জলে বুক ভাসানো হাহাকার। আর দাদু-নাতি মিলে মহান আল্লাহর কাছে চলে যাওয়া আপনজনের জন্য দোয়া প্রার্থনা করছেন।

প্রিমিয়াম শোতে কাজী নওশাবা বলেন, কবর এমন একটি কবিতা যেটি আমরা সকলেই পড়েছি এবং সকলের মনে আচ কেটেছে তাই আমার ক্যারেক্টার টা নিয়ে আমি খুবই চিহ্নিত। আমি চেষ্টা করেছি চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলার জন্য।

এতো গল্প থাকতে হঠাৎ কেন সাহিত্য নির্ভর ‘কবর’ কবিতা নিয়ে স্বল্পদৈর্ঘ্যটি নির্মাণ করলেন? এমন প্রশ্নের জবাবে নির্মাতা রাশিদ পলাশ জানান, ছোট বেলা থেকেই জসীমউদ্দীনের কবিতা পড়েছি। যতদিন গেছে ততই বোধে আসে বাংলা সাহিত্যে কবর কবিতার অবস্থান। যে কজন বাংলা সাহিত্যিকে সমৃদ্ধ করছেন তাদের মাঝে জসীমউদ্দীন অবিস্মরণীয়। এই অবিস্বরণীয় কবি প্রাণকে স্বরন করে কবর কবিতা অবলম্বনে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘কবর’ নির্মাণের চেষ্টা করেছি।

এসময় নির্মাতা আরো জানান, আপাতত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্বল্পদৈর্ঘ্যটি উন্মুক্ত করতে পারছি না। যদিও ইচ্ছা ছিল এই মহুর্তে উন্মুক্ত করার। পারছি না কারন, আমরা কয়েকটি ফেস্টিভাল থেকে দাওয়াত পেয়েছি সেখানে প্রদর্শিত হবে তারপর এটি সাধারণ দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

‘কবর’ চলচিত্রের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন তারিক আনাম খান, চম্পা, মাহিবী জাহান, কাজী নওশাবা, শিমুল খান, সাদিয়া ইসলাম, সুমি কাওসার, মুহিব, প্রণব ঘোষ প্রমুখ।