‘বড় ছেলে’ থেকে কেমন প্রতিক্রিয়া পাচ্ছেন? ফেসবুকে এটা নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে। টেলিছবিটি দর্শকদের ওপর বেশ প্রভাব ফেলেছে বলে মনে হয়। এটি আমার অভিনয়জীবনের শ্রেষ্ঠ উপহার। তবে এই ঈদে আমার অভিনীত আরেকটি নাটক আমার জন্য বিশেষ ছিল।
সেটি হচ্ছে মেয়েটির হাতে যাদুর প্রদীপ। বিশেষ এ জন্য বলছি যে এখানে কোনো নায়ক নেই। তাই চরিত্রটি আমার জন্য চ্যালেঞ্জিং ছিল। এ ধরনের চরিত্রে কাজের সুযোগ খুব একটা পাওয়া যায় না।
কাজের সময় কি বুঝতে পেরেছিলেন যে ‘বড় ছেলে’ নিয়ে এত আলোচনা হবে?
কাজের সময় মনে হয়েছে, কিছু একটা হবে। কিন্তু এত আলোচনা হবে, সেটা বুঝিনি। পরিচিতদের অনেকেই ফোনে ও ইনবক্সে বলেছেন, টেলিছবিটি দেখে তাঁরা কেঁদেছেন। শুটিংয়ে আমি নিজেই কেঁদেছিলাম।
কেন?
বেশ কয়েকটি কান্নার দৃশ্য ছিল। প্রথম দিকে চোখে গ্লিসারিন নিয়ে কান্নার অভিনয় করেছি। শেষ দৃশ্যটি এত আবেগঘন ছিল যে সংলাপ বলতে বলতে গ্লিসারিন ছাড়া সত্যি সত্যিই কেঁদে ফেলেছিলাম।
ঈদের পরের শুটিং শুরু হয়েছে?
না। হাতে এখন অনেক চিত্রনাট্য। একটা একটা করে পড়ব। তারপর সিদ্ধান্ত নেব যে কোনটি করব।
অনেক দিন ধরে চলচ্চিত্রে অভিনয়ের কথা শুনছি। কোনো অগ্রগতি আছে?
কাজ তো করতেই চাই। প্রায়ই বাণিজ্যিক ছবিতে কাজের প্রস্তাব আসে। কিন্তু গল্প শুনতে বসলে মনে হয়, এ ধরনের গল্পের ছবি আগে দেখেছি। ফ্রেশ গল্প, ভালো পরিচালক, ভালো সহশিল্পী পেলে কাজ করব।
শুনেছি, প্রেম করে বিয়ে করবেন। বিয়ে কবে?
অনেক বছর পর কাজে সিরিয়াস হয়েছি, এখন বিয়ে নিয়ে তাড়া নেই। আরও তিন-চার বছর এ নিয়ে ভাবব না। তবে ভালোবেসেই বিয়ে করব। তাতে মা-বাবার সম্মতিও থাকতে হবে। আর শোনেন, আমার কোনো প্রেম নেই।





