সালমান শাহ সবার অন্তরে স্থান করে নিয়েছে তার মেধাদিয়ে। দেখা ওদেখা কোটি কোটি ভক্ত তার। সালমান শুধু একটি নাম নয়, তার ভক্তদের জন্য একটি ইতিহাস। আর ইতিহাস কখনও চাপা থাকেনা।
দিন দিন সব পরিস্কার হয়ে যাচ্ছে কারা সালমান শাহ( ইমন )হত্যাকান্ডে জড়িত। আর কত প্রমাণ চাই বিচারের জন্য। ধনীর দুলাল সালামান কখনও আত্মহত্যা করতে পারেনা। তাকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকারীরা নিজেরাই প্রমাণ দিচ্ছে তাকে সঙ্গবদ্ধ ভাবে হত্যা করেছে।
দেশে এত বিচার হয় কেন সালমান শাহ হত্যার বিচার হচ্ছেনা? আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি চাই। বিচারের জন্য ২১ বছর অপেক্ষা করেছি, লড়াই করেছি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত করে যাবো। কারণ আমি একানই সাথে আছে ইমনের কোটি ভক্তরা। এখন ও মামলাটি তদন্তে রয়েছে। এই তদন্ত সুষ্টভাবে সম্পন্ন করা হোক এবং বিচার করা হোক। আমার বিশ্বাস মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সরকার তার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় সালমান শাহ হত্যার বিচার করবে। সালমান শাহ ঐক্যজোট মৌলভীবাজারের আয়োজনে সালমান হত্যার প্রতিবাদে ও বিচারের দাবীতে মহা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
মৌলভীবাজার পৌর কমিউনিটি সেন্টারে সালমান শাহ ঐক্যজোট এর আয়োজিত মহা সমাবেশে সালমান শাহ ঐক্যজোট মৌলভীবাজার এর সভাপতি লুতফুর রহমান শামীমের সভাপতিত্বে ও দুর্নীতি মুক্ত নাগরিক ফেরামের সাংগঠনিক চিনরঞ্জন তালুকদারের সঞ্চালনায় শুরু হওয়া অনুষ্টানে বক্তব্য রাখেন,নায়ক সালমান শাহ মামা আলমগীর কুমকুম,মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মহসীন আলী ফাউন্ডেশন সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সানজিদা শারমিন , মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি মসাহিদ আহমদ,সাংবাদিক আব্দুল্লাহ,সাংবাদিক মাহমুদ খান,সাংবাদিক মুকিদ ইমরাজ প্রমুখ।
এসময় বক্তারা বক্তব্যে বলেন, স্বপ্নের নায়ক সালমান শাহ দেশের জন্য গৌরবময় ইতিহাস রচনা করে গেছেন দেশের জন্য সুনাম এনেছেন। তার হত্যার বিচার হচ্ছেনা এটা লজ্জার ব্যাপার। এটা কষ্টকর এবং দু:খজনক। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের দাবী দ্রুত সালমান শাহ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত সকল আসামীদের আইনের আওতায় আনা হোক।
উল্লেখ্য,১৯৯৬ সালে ৬ই সেপ্টেম্বর রহস্যজনকভাবে মারা যান নায়ক সালমান শাহ। ঢাকার-১১ বি নিউ ইস্কাটন রোডে ইস্কাটন প্লাজার নিজের ফ্ল্যাটে তাকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ইদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তে এ ঘটনাকে আত্মহত্যা বললেও তার পরিবারে দাবী তাকে হত্যা করা হয়েছে। এখন এ মামলাটি আছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ১৯৯৩ সালে সোহানুর রহমান সোহানের পরিচালিত ছবি ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত‘ ছবিব মাধ্যমে পর্দায় আশা সালমান শাহের। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সালমান শাহ ২৭টি ছবিতে অভিনয় করেন। অসাধারণ প্রতিভা ও দক্ষতার সাথে অল্প সময়ে অভিনয় করে জায়গা করে নেন কোটি ভক্তদের অন্তরে। হয়ে ওঠেন স্বপ্নের নায়ক প্রিয় নায়ক সালমান শাহ।





