কথায় আছে আগুন, রোগ, ঋণ এবং শত্রুর শেষ রাখতে হয় না। এগুলো সমূলে উৎপাটন করে ফেলতে হয়। অন্যথায় এসব আপদ শেকড় বাকড় ছড়িয়ে পুনয়ার বড় আকার ধারণ করে। মাদকের ক্ষেত্রেও এই তত্ত্ব প্রযোজ্য।
মাদক বিরোধী প্রচার প্রচারণা এ যাবত কম হয়নি। রাষ্ট্রের ক্ষুদ্রতম একক পরিবার থেকে শুরু করে সরকার পর্যন্ত সবাই-মাদক নির্মূলে কোমর বেঁধে কাজ করে যায়, যাচ্ছে এবং যাবে। তবুও কোনো এক অদ্ভুত কারণে মাদককে সমূলে নির্মূল করা যাচ্ছে না। কিন্তু এটা নির্মূল করা অত্যাবশ্যক।
হঠাৎ মাদক নিয়ে এত কথা কেন বলছি? বলার কারণ হচ্ছে মডেল ও অভিনেত্রী ফারিয়া শাহরিনের মাদক বিরোধী একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস দেখে। ফারিয়া তার স্ট্যাটাসে লিখেছেন- ‘কাল এক ছেলে আমাকে সাধতেছে- ইয়াবা খাব নাকি। বলল খেলে আরও সুন্দরী হয়ে যাবা, শুকাবা। এখনতো এটা একটা ট্রেন্ড মিডিয়ার। আমি হুংকার দিয়ে বললাম, আমি কোনো ড্রাগের মধ্যে নাই, এসব লাইফ শেষ করে দেয়। ছেলেটা খুব টিটকিরি মারল যে, মডেল হয়ে এত নাটক! আমার সাথের অনেক নায়িকারা এসব খেয়ে নিজেদের ফিট রাখছে। আমার এত কীসের ঢং? ঠিকই হয়তো অন্য নেশা করো, ভালো সাজো। হায় রে!’
স্ট্যাটাসে তিনি আরো উল্লেখ করেন, ‘মিডিয়ার যেসব মেয়েরা ইয়াবা বা অন্য ড্রাগ নেয় এসবগুলোকে জেলের ভাত খাওয়ানো উচিত এবং তার সাথে সাথে বের হয়ে আসবে কারা এদের এসব সাপ্লাই দেয়। মিডিয়ার মানুষদের যেহেতু সাধারণ মানুষ ফলো করে তাই এদের দেখে আরও ১০ জন মানুষ শিক্ষা নেবে। আর আমাদের মতো কিছু না করে দোষী মিডিয়ার মেয়েগুলো শান্তি পাবে। মিডিয়াতে এসব ড্রাগ থেকে ১০০ হাত দূরে থাকা মেয়েরাও আছে রে ভাই। মাদককে না বলুন’।
মডেলিং ও অভিনয় জগতের একটি পরিচিত স্নিগ্ধ মুখ ফারিয়া শাহরিন। প্রথম দিকে একটি সিম কোম্পানির বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে দর্শক নজরে আসেন। ‘আকাশ কত দূরে’ নামক চলচ্চিত্র এবং বেশ কিছু টিভি নাটকে অভিনেয় করে বিনোদন মুলুকে স্থায়ী আসনে অধিষ্ঠিত হয়ে আছেন তিনি। বর্তমানে এ সুদর্শনা অভিনেত্রীর বসবাস প্রবাসে। মালয়েশিয়ান একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন তিনি।





