শুধু অভিনেতা-অভিনেত্রী নন, বলিউডে পরিচালকরাও একেকজন তারকা। তাদের পারিশ্রমিকটাও তাই হয় স্টারডমের কথা মাথায় রেখেই। আর সেই অংকটাও আকাশচুম্বি!

আনন্দ লাল রায়

‘তানু ওয়েডস মানু’ কিংবা ‘রাঞ্ঝানা’ সিনেমার এই পরিচালক ছবিপ্রতি আট থেকে ১০ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নেন।

কবির খান

‘বাজরাঙ্গি ভাইজান’ কিংবা ‘টিউবলাইট’-এ মত জনপ্রিয় সব সিনেমার পরিচালক তিনি। ছবিপ্রতি নেন ১০ কোটি রুপি।

মানি রত্নম

ভারতের শীর্ষ সিনেমা পরিচালকদের একজন তিনি। ‘গুরু’ কিংবা ‘রাভান’-এর মত সিনেমার এই পরিচালক প্রতি সিনেমায় নয় কোটি রুপি করে পারিশ্রমিক নেন।

এস এস রাজামৌলি

‘বাহুবলী’র সৌজন্যে লাইললাইটটা বেশ ভালই ধরতে পেরেছেন রাজামৌলি। বাহুবলী ২-এর জন্য তিনি কত পারিশ্রমিক নিয়েছেন জানেন? বেশি না, ১০০ কোটি রুপির মত!

ফারহান আখতার

সময়ের সবচেয়ে প্রতিভাবান অভিনেতা কিংবা পরিচালকদের একজন ফারহান আখতার। প্রতি ছবি পরিচালনার জন্য তিনি নেন ১৫ কোটি রুপি।

রাজকুমার হিরানী

মুন্না ভাই, পিকে কিংবা থ্রি ইডিয়টসের মত কালজয়ী সিনেমার পরিচালক রাজকুমার হিরানী। রাজু সিনেমাপ্রতি নেন ১৫ কোটি রুপি।

মোহিত সুরি

হাফ গার্লফ্রেন্ড সিনেমার এই পরিচালকের পারিশ্রমিক নেওয়ার কায়দাটা একটু আলাদা। প্রতি ছবিতে আট কোটি রুপি নেওয়ার সাথে সাথে লাভেরও ৩৩ ভাগ নেন তিনি।

করণ জোহর

করণ জোহর বিখ্যাত তার ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ কিংবা ‘কাভি খুশি কাভি গম’ সিনেমার জন্য। তিনি ছবি প্রতি ১৫ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নেন।

রোহিত শেঠি

‘গোলমাল’ ‘সিংঘাম’ কিংবা ‘চেন্নাই এক্সপ্রেস’ – অ্যাকশন কিংবা কমেডি সব কিছুতেই হিট রোহিত শেঠি। তার দরটাও তাই চড়া, ছবিপ্রতি নেন ২৫ কোটি রুপি!

প্রভু দেবা

ড্যান্সার থেকে কোরিওগ্রাফার, সেখান থেকে পরিচালক বনে গেছেন প্রভু দেবা। প্রতি সিনেমায় তার পারিশ্রমিক সাত থেকে আট কোটি রুপি।

সঞ্জয় লিলা বানসালি

পারিশ্রমিকের ব্যাপারে বানসালি কখনো খোলাসা করেননি। তবে, সেই ২০১০ সালে শুধূ বলেছিলেন ‘গুজারিশ’ ছবি পরিচালনা করে তিনি ২৭ কোটি রুপি আয় করেছিলেন।

অনুরাগ কাশ্যপ

গ্যাংস অব ওয়াসিপুরের পরিচালক কাশ্যপ প্রতিটি সিনেমায় পারিশ্রমিক হিসেবে পান আট কোটি রুপি।

এ আর মুরুগাদোস

‘গজনী’ সিনেমার পরিচালক মুরুগাদোসের পারিশ্রমিক ১২ কোটি রুপি।