বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের তুমুল জনপ্রিয় অভিনেত্রী। ৯০ দশক থেকে এ পর্যন্ত আসা চিত্র তারকাদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় চিত্র তারকা হিসেবে বিবেচনা করা হয় তাকে। প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার এহতেশাম পরিচালিত চাঁদনী রাতে সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে আগমন শাবনূরের।

প্রথম ছবি ব্যর্থ হলেও পরে সালমান শাহের সাথে জুটি গড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। একে একে এ জুটি সুপারহিট ছবি দিতে থাকেন। সালমানের অকাল মৃত্যুতে সাময়িক ভাবে শাবনূরের ক্যারিয়ার হুমকির মুখে পড়লেও তার চিরায়ত বাঙালি প্রেমিকার ইমেজ এবং অসাধারন অভিনয় ক্ষমতা তাকে দর্শকদের হৃদয়ে শক্ত আসন গড়তে সাহায্য করে। পরে রিয়াজ, শাকিল খান, ফেরদৌস ও শাকিব খান এর সাথে জনপ্রিয় জুটি গড়ে অসংখ্য ব্যবসাসফল ও জনপ্রিয় ছবি উপহার দেন।

অনেকদিন ধরেই জনপ্রিয় কোন ছবিতে দেখা মিলছে না শাবনূরের। সংসার আর পারিবারিক কাজকর্ম নিয়েই ব্যস্ত তিনি।

এবার রোজার ঈদের আগেই অস্ট্রেলিয়া থেকে ঢাকায় ফেরেন শাবনূর। এসেই কারও সঙ্গে কোনো দেখা নেই তাঁর। সম্প্রতি হঠাৎ করে পুরোনো অভিনয়শিল্পী–বন্ধু ওমর সানী, মৌসুমী ও অমিত হাসানকে পরিবারসহ তাঁর বাড়িতে ডাকেন। সেদিন তাঁদের আড্ডার স্থিরচিত্র ফেসবুক পোস্ট করে ওমর সানী । সেই ছবিতে স্লিম ফিগারের শাবনূরকে দেখে চমকে যান অনেকেই।

অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী এ নায়িকা গত ২২ জুলাই সন্ধ্যায় এসেছিলেন তার প্রিয় স্থান এফডিসিতে। তবে তিনি চেনা গ্ল্যামার রূপের বাইরে একেবারেই সাদাসিদে ভাবে বোরকা পরে হাজির হন এফডিসিতে।

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিতে এসে নতুন কমিটিকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান তিনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়ক জায়েদ খান ও কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য চিত্রনায়িকা পপি ও চিত্রনায়ক রিয়াজ। শাবনূরকে পেয়ে সমিতির এই তিন সদস্যও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

শাবনূর বলেন,‘চলচ্চিত্রের বর্তমান অবস্থা খুব খারাপ। নতুন কমিটি আবার সিনিয়রদের এফডিসিতে ফিরিয়ে আনছে। গুণীদের সম্মান দিচ্ছে। এটা বেশ ইতিবাচক। সবাইকে মিলেমিশে সব অপশক্তি আর সমস্যা মোকাবিলা করে সিনেমার ভালো দিন আনতে হবে।’

এরপর একের পর একে সুপারহিট ছবি দিতে থাকেন তারা। শাবনূর ২০০৫ সালে মোস্তাফিজুর রহমান মানি