খল অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল চিত্রনায়ক শাকিব খান ও প্রযোজক আব্দুল আজিজকে হুশিয়ার করে বলেন, আপনারা যারা-ই হন, আমাদের জান থাকতে সিনেমা হলে বিদেশি ছবি চালাতে দেব না।
প্রয়োজনে আমার ব্যক্তিগত ফান্ড থেকে সিনেমা হলে ১০০ ডিজিটাল মেশিন বসাব। চলচ্চিত্র শিল্পকে বাঁচাতে রাজপথে নামব।
শুক্রবার সন্ধ্যায় এফডিসিতে অবস্থিত চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
দেশীয় চলচ্চিত্রের উন্নয়ন ও সিনেমা হলে ভারতীয় চলচ্চিত্র প্রদর্শন বন্ধের দাবিতে রাজপথে তুমুল আন্দোলনের পরেও ঈদ উপলক্ষে আলোচিত-সমালোচিত যৌথ প্রযোজনার দুই ছবি ‘নবাব’ ও ‘বস-টু’ বিনা কর্তনে ছাড়পত্র পায়। আর এই বিষয়টিকে সামনে রেখেই ঐক্যজোটের নেতারা জরুরি সভা শেষে এ সংবাদ সম্মেলন করেন। এ সম্মেলনে শাকিব খানকে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।
চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সংগঠনের সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার, মহাসচিব বদিউল আলম খোকন, শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান, সিনিয়র অভিনেতা ফারুক, আলমগীর, রিয়াজ, পপি, প্রযোজক খোরশেদ আলম খসরু, ডিপজলসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
শাকিবকে নিষিদ্ধ করা প্রসঙ্গে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান বলেন, ‘যেভাবে চলচ্চিত্রকে ধ্বংস করার চেষ্টা চলছে, তার বিরুদ্ধে আজই রুখে দাঁড়াতে হবে। শাকিব খান সকল সিনিয়র শিল্পীদের স্টুপিড বলে গালি দিয়েছেন। এত বড় সাহস তিনি কোথায় পান?’
রিয়াজ বলেন, ‘চলচ্চিত্রকে বাঁচাতে হলে আমাদের কঠোর অবস্থানে যেতে হবে। শাকিব খান নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই যৌথ প্রযোজিত ছবিতে অভিনয় করছেন। তাই তার সদস্য পদ বাতিল করা হয়েছে।’
চিত্রনায়ক আলমগীর বলেন, ‘কয়েক সপ্তাহ আগেই শাকিব খানকে নিয়ে এসে আমি ১৪ সংগঠনের কাছে তার হয়ে ক্ষমা চেয়েছি। সবাইকে বলেছি যেন শাকিবকে ক্ষমা করে দিয়ে তার উপর নিষিদ্ধ আদেশ তুলে নেয়া হয়। এত অল্পদিনেই সে সব ভুলে গেছে। সে সীমা অতিক্রম করে আমাদের বড় ভাই ফারুক ভাইকে ইঙ্গিত করে বাজে কথা বলেছে। আমরা কোনোদিন রাজ্জাক ভাই, ফারুক ভাইদের নিয়ে কথা বলিনি। কষ্ট পেলেও কোনো কারণে চুপ থেকেছি।’
চিত্রনায়ক ফারুক বলেন, ‘আমরা চলচ্চিত্রের ধ্বংস বসে বসে দেখবো না। প্রয়োজনে চলচ্চিত্র বাঁচাতে রাস্তায় নামব।’





