এক সময়ের বাংলা চলচিত্রের জনপ্রিয় একজন নায়িকা ছিলেন চম্পা। তবে সময়ের বিবর্তনে এখন যেন হারিয়েয়ই গেছেন তিনি। এখন খুব একটা আলোচনায় পাওয়া যায় না তাকে। হঠাৎ দুই একটা ছবিতে দেখা যায় তাকে। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
তবে নিয়মিত নন, চরিত্র ও গল্পে মান সায় দিলেই অভিনয়ে দেখা যায় তাকে। পরিবার নিয়েই এখন তার বেশি ব্যস্ততা। নাতির সঙ্গেই অবসর সময়ের বেশির ভাগটা কাটাচ্ছেন বলে জানালেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী এই অভিনেত্রী।
বর্তমান সময়ে বেশ কয়েকটি ছবিতে অভিনয় চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন চম্পা। এর মধ্যে কয়েকটির শুটিংও শেষ করেছেন বলে জানালেন তিনি। ইতোমধ্যে ইদ্রিস হায়দারের ‘নীল ফড়িং’ ছবির শুটিং শেষ করেছেন। পাশাপাশি শুটিং করবেন ‘সেভ ফর লাইফ’ নামের নতুন একটি ছবির। সম্প্রতি চলচ্চিত্রের অনেক বিষয় শেয়ার করলেন এ অভিনেত্রী।
জানালেন, দীর্ঘদিন পর প্রেক্ষাগৃহে ছবি দেখতে গিয়ে বাজে অভিজ্ঞতার কাথা। চম্পা বলেন, ‘প্রায় তিন বছর পর হলে ছবি দেখতে গিয়েছিলাম। শাকিব-বুবলীর একটি ছবি। মূলত হলে আগের অবস্থা আর বর্তমান অবস্থা জানা এবং এখন কেমন ছবি হচ্ছে এটা জানার জন্যই হলে যাই ছবি দেখতে। গিয়ে বেশ বাজে অবস্থার মুখোমুখি হই। হলের যে অবস্থা তাতে বেশিক্ষণ থাকা আমার জন্য সম্ভব হয়নি। পর্দায় ঝাপসা ছবি আর জঘন্য সাউন্ড সিস্টেম। তার উপর প্রচন্ড গরমে গায়ের জামা ভিজে যাচ্ছিল। বসার সিটের অবস্থাও খারাপ। হলে পাঁচ মিনিট থাকাও সম্ভব হয়নি আমার জন্য। এমন অবস্থায় দর্শক কীভাবে হলমূখী হবেন?’
তাই আগে হলের পরিবেশ ভালো করার আহবান করে এ চম্পা। হলে মানুষ কষ্ট করতে নয় বিনোদনের জন্য যায়। চম্পা বলেন, ‘সিনেপ্লেক্সে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা টিকেটের দাম। তাই সেখানে চড়া দামে টিকিট কিনে সাধারণ মানুষ ছবি দেখতে যেতে পারেনা। সিনেপ্লেক্স তো বাংলা ছবি তেমন একটা চালায়ও না। তাই সাধারণ মানুষের বিনোদন নেয়ার সাধারণ হলগুলোর দিকে হল মালিকসহ সরকারেরও নজর দেয়া দরকার। হলের পরিবেশ এমন থাকলে ভালো ছবিও দর্শকরা হলে গিয়ে দেখবেন না। তাই হলের মনোরম পরিবেশ ভালো চাইবো আগে।’




