আবার ভাঙছে অপির সংসার- তারকাদের প্রেম-বিয়ে আর সংসারকে রীতিমতো তাসের ঘর বানিয়ে ফেলেছেন! এই আছে তো এই নেই। মিডিয়া পাড়ায় ভাঙ্গনের শব্দ শোনা যাচ্ছে ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপি করিমের সংসার। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

এ নিয়ে তৃতীয়বার বিবাহ বিচ্ছেদ হতে যাচ্ছে এই অভিনেত্রীর। বৃহস্পতিবার নির্মাতা এনামুল করিম নির্ঝরের সঙ্গে অপির বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে বলে শোবিজের অঙ্গনের মানুষেরা কানাঘুষা করছেন।

এর আগে অনেকটা গোপনে ২০১৬ সালের ঈদের দিন তাদের বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এটি ছিলো অপি করিমের তৃতীয় বিয়ে।

এর আগে ২০০৭ সালের ২৭ অক্টোবর সম্পূর্ণ পারিবারিক পছন্দে অপির বিয়ে হয়েছিল জাপান প্রবাসী ড. আসির আহমেদের সঙ্গে। ২০১১ সালের দিকে চার বছরের সংসারে বিচ্ছেদ ঘটে।

তার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ওই বছরই নাট্যনির্মাতা মাসুদ হাসান উজ্জলকে বিয়ে করেন এ অভিনেত্রী। কিন্তু সেই সংসারও টিকেনি বেশিদিন। এরপর নির্মাতা এনামুল করিম নির্ঝরকে বিয়ে করেন। দুবছর যেতে না যেতে সংসার ভাঙনের সুর উঠছে।

মেয়েরা মায়ের থেকেও বয়সে বড়, কী ঘটছে দিতিপ্রিয়ার জীবনে

সম্পর্কে তাঁর মেয়ে। কিন্তু বয়সে মেয়েরা মায়ের থেকে বড়। ঠিক এ ঘটনাই ঘটছে দিতিপ্রিয়ার জীবনে। থুড়ি রানির জীবনে। সৌজন্যে জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘রানি রাসমণি’।আসল ঘটনাটি ঠিক কী? কী ঘটছে এই ধারাবাহিকে?

মেয়েরা মায়ের থেকেও বয়সে বড়, কী ঘটছে দিতিপ্রিয়ার জীবনে

আসলে দিতিপ্রিয়া সবে মাধ্যমিক পাশ করেছেন। তিনি এখন ক্লাস ইলেভেনের ছাত্রী। বয়সে ছোট হলেও পরিণত বয়সের রানি রাসমণির চরিত্রে চুটিয়ে অভিনয় করছেন তিনি। অনস্ক্রিনে তাঁর মেয়ের চরিত্রে যাঁরা অভিনয় করছেন, তাঁরা আবার দিতিপ্রিয়ার তুলনায় বয়সে বড়।

কিন্তু প্রত্যেকেই একে অপরের খুব ভাল বন্ধু। সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্প্রতি দিতিপ্রিয়া শুটিংয়ের ফাঁকে তোলা ছবি শেয়ার করেছেন। সেখানেও ধরা পড়েছে তাঁদের বন্ধুত্ব।

দিতিপ্রিয়ার অভিনয় গত এক বছর ধরে দর্শকদের পছন্দের তালিকার শীর্ষে। যে ভাবে এত কম বয়সে পর্দায় পরিণত রানি রাসমণির চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি তা প্রশংসার দাবি রাখে বলে মনে করেন টলিউডের একটা বড় অংশ। সে কারণেই টিআরপির হিসেবেও প্রায় প্রতি সপ্তাহেই এই ধারাবাহিক থাকে প্রথম স্থানে।

গোপন রহস্য ফাঁস, ক্যাটরিনার ‘বাবা’ ভারতীয় ক্রিকেটার মোহাম্মদ কাইফ

সোশ্যাল মিডিয়া বড় বিচিত্র ‘ঠিকানা’। সাবেক বৈঠকি আড্ডার ভার্চুয়াল দুনিয়া। সেখানেই নিজেদের পরিসরে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা তুলে ধরেন নিজস্ব ভাবনা-চিন্তা-কল্পনা!

পাড়ার থিম পুজো থেকে সেলেব্রিটিদের অন্দরমহল, কী না থাকে এই অদৃশ্য জগতের আলোচনার পরিধিতে। মোহাম্মদ কাইফ ও ক্যাটরিনা কাইফ যেমন এবার টের পেলেন সেলেব হওয়ার জ্বালা। তাদের শুনতে হল, অদ্ভুত প্রশ্ন, কেন দু’জনের পদবি এক!

শেষ ১২ বছর জাতীয় দলের জার্সিতে খেলেননি। ঘরোয়া ক্রিকেটেই খেলতেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের অন্যতম প্রিয় সতীর্থ। তবে সম্প্রতি সমস্ত ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন।

যাই হোক, বৃহস্পতিবারেই নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে প্রশ্নোত্তর পর্বে হাজির হয়েছিলেন তিনি। ‘আস্ককাইফ’ হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে যেখানে ভক্তরা নিজেদের মনের কথা শেয়ার করতে পারবেন তারকা ক্রিকেটারের সঙ্গে।

এমন প্রশ্নোত্তর সেশন চলার সময়েই এক প্যারোডি অ্যাকাউন্ট থেকে ভেসে আসে অদ্ভুত কৌতূহল। ‘দ্য লাইং লামা’ নামের সেই অ্যাকাউন্ট থেকে কাইফকে জিজ্ঞাসা করা হয়, ‘স্যার আপনি কি কোনোভাবে ক্যাটরিনা কাইফের সঙ্গে যুক্ত? যদি না হন, তাহলে ভবিষ্যতে কোনও লিঙ্ক আপের সম্ভবনা রয়েছে?’

স্পষ্টতই ট্রোলিংয়ের উদ্দেশ্য নিয়ে করা প্রশ্নকে এড়িয়ে যাননি কাইফ। তিনি স্মার্টলি উত্তর দেন, ‘এখনও পর্যন্ত নয়। আপাতত সুখী বিবাহিত জীবন-যাপন করছি। তবে ক্যাটরিনার পদবি কী ভাবে ‘কাইফ’ হল, তা নিয়ে বেশ চিত্তাকর্ষক একটি কাহিনি শুনেছিলাম।’

এর পরেই টুইটারেত্তিরা ঝাঁপিয়ে পড়ে বিভিন্ন সম্ভাব্য কারণ জানাতে থাকেন পর পর টুইটে। সেখানেই এক জন পোস্ট করেন ক্যাটরিনার ‘কাইফ’ পদবি প্রাপ্তির রহস্য!

সেই টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে দাবি করা হয়েছে, ‘‘ক্যাটরিনার মা একজন ব্রিটিশ। যদিও জন্মসূত্রে ক্যাটরিনা ভারতীয়। ভারতীয় কানেকশন উনি বাঁচিয়ে রাখার উদ্দেশেই কাইফ পদবি বাঁচিয়ে রাখতে চান ক্যাটরিনা।

২০০৩ সালে সিনেমার নির্মাতা আয়েশা শ্রফ ও কাইজাদ গুস্তাদ ক্যাটরিনাকে ‘বুম’ সিনেমায় লঞ্চ করেছিলেন। তারাই দাবি করেছিলেন, ক্যাটরিনার পদবি ‘টারক্যুয়েট’ ভারতীয় দর্শকদের কাছে উচ্চারণে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

প্রাথমিক ভাবে ‘কাজি’ পদবি দেওয়ার কথা চিন্তাভাবনা করা হয়। তবে সেই সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় ক্রিকেটার কাইফের নামের সঙ্গে সাযুজ্য রেখেই ক্যাটরিনার পদবি দেওয়া হয় ‘কাইফ’।’’

‘কোরা’ নামের এক ওয়েবসাইটেও এক ব্যবহারকারী প্রায়ই একই ধরনের দাবি করা করেছেন। বলা হয়েছে, হংকংয়ে ক্যাটরিনা জন্মগ্রহণ করেন। ক্যাটরিনার কাশ্মিরী পিতা এবং ব্রিটিশ মায়ের নাম যথাক্রমে মোহাম্মদ কাইফ ও সুসানে ‘টারক্যুয়েট’!

বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের পরে কাইফ নাকি পিতৃত্বের পরিচয় আগলে রাখতে চেয়েছিলেন। সেই সূত্রেই ক্যাটরিনার নামের পাশে জ্বলজ্বল করে ‘কাইফ’ পদবি! এই দাবি মানলে ক্যাটরিনার পিতার নাম এবং বিখ্যাত ক্রিকেটারের নাম এক— ‘মোহাম্মদ কাইফ’।

জোড়া সেলেব্রিটির ‘কাইফ’ পদবি যে ‘নেমসেক’ গল্পের প্লটকেও হার মানায়, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ-ই নেই।