সারাদেশে প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটে থাকে ।সাধারনত দেখা যায় ড্রাইবারদের বেপরোয় গাড়ি চালানোতে সড়ক দূর্ঘটনা গুলো ঘটে।অকালে ঝরে যায় হাজারে মানুষের প্রাণ।কারো জীবনে নেমে আসে অন্ধকার।আর ফিরতে পারে না স্বাভিক জীবনে । এমনি এক মারাত্বক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে গত রবিবার রাজধানীর ক্ষিলক্ষেতে। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
প্রান ঝরে গেল দুই শিক্ষাথীর।তার মধ্যে একজন ছিলো ছাএ অপরজন ছিল ছাএী ।তবে ঘটনার কিছুক্ষন পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বির্তকিত এক মন্তব্য করে বসেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান।তার পর থেকে শিক্ষাথীরা আরো উত্তাল হয়ে গেছে শাজাহান থানের পদত্যাগের দাবিতে তারা বিক্ষোপ করছে।
অপরদিকে বাস চাপায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় এবার সোচ্চার হয়েছেন জনপ্রিয় চলচিত্র নির্মাতা মোস্তফা সারাওয়ার ফারুকি। রবিবার শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় নৌপরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খানের পদত্যাগের দাবিতে রাজপথে নেমেছিল শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থীরা।কিন্তু ছাত্রদের দাবীকে অগ্রাহ্য করে সংবাদ মাধ্যমকে বলেছিলেন তিনি পদত্যাগ করলেই কি সমস্যার সমাধান হবে?
তবে এবার তার পদত্যাগের ইস্যু নিয়ে নিজের ফেসুবকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে জনপ্রিয় নির্মাতা ফারুক। পাঠকদের সুবিধার্থে স্ট্যাটাসটি হুবহু নিচে তুলে ধরা হল:-
ইনবক্সে কেউ কেউ লিখছেন, ভাই, শাহজাহান খান তো নৌপরিবহন মন্ত্রী। সড়ক পরিবহনের সমস্যায় উনি পদত্যাগ করবেন কেনো? উনি নৌ পরিবহন মন্ত্রী সবাই জানে। কিন্তু উনি যেহেতু উভচর প্রানী সেহেতু উনার রাজত্ব ডাঙ্গায়ও বিদ্যমান। সড়ক পরিবহন খাতের নাটের গুরু এই লোক, এটা সবাই জানেন। তবে উনাকে বরখাস্তের কথা আসছে, উনার নিষ্ঠুরতা এবং মন্ত্রীর পদমর্যাদা খাটাইয়া ষন্ডামী করার কারনে।
নৈতিকভাবে তো উনার মন্ত্রীত্ব হারানোর কথা ছিলো তারেক মাসুদের ঘটনার পর উনার ভুমিকার কারনেই। এইবার সেটা ষোলকলা পূর্ণ হইছে। এখানে মনে রাখা দরকার, কেউ উনার পদত্যাগ চাচ্ছে না, চাচ্ছে বরখাস্ত।
পদত্যাগ করার মতো লজ্জা শরমবোধ উনার নাই। সবশেষে, সড়ক পরিবহন নীতিমালা বা আইন কানুন সংস্কার সেটা অন্য বিষয়। সেটার জন্য সরকারের দায়িত্বশীল মহলকে চাপ দিতে থাকেন। সড়ক পরিবহন খাতের নাটের গুরু শাহজাহান খান।
রবিবার দুই শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনার পর তককাল সোমবার দ্বিতীয় দিনের মতো কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ চলতে। তারা রাজধানী শহরের বিভিন্ন স্থানে সড়ক বন্ধ করে প্রতিবাদ আন্দোলন করছেন।
এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়, শতাধিক বাস ভাঙচুর করে। বন্ধ হয়ে যায় যানবাহন চলাচল।গতকাল ছাএ-ছাএীরা রাস্তা অবরোধ করে যান চলারল বন্ধ করে দেয়।আজও রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে শিক্ষাথীরা অবরোধ করে ।





