২২ গজের ভেতরে দুইজনই সমান জনপ্রিয়। দুইজনই মাঠে নামলে সবার মাঝে তৈরি হয় উত্তেজনা। তারা বাংলাদেশের টপ ক্রিকেটার। একজন ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল আরেকজন বিশ্ব সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তবে তাদের বিয়ে এবং প্রেমে কাহিনী গুলো বেশ মজার। এমনকি সিনেমার গল্পকেও হার মানায়। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
এমন ও প্রেম কাহিনী রয়েছে যেখানে কোচের মেয়ের সাথেও লুকিয়ে প্রেম করেছেন অনেকেই। আবার অনেকে তো পরিবারের থেকে লুকিয়ে চুপিসারে ভালবাসতেন প্রিয় মানুষটিকে। আজকে আমরা বাংলাদেশী কয়েকজন ক্রিকেটারের ‘সিনেমাটিক প্রেম’ নিয়ে আলোচনা করব-
সাকিব আল হাসান এবং উম্মে শিশিরঃ দিবা-রাত্রির ম্যাচে ‘শিশির’ সিক্ত শ্বেত বলটা বড় বেশী ঝামেলার কারণ হয়। কিন্তু ‘শিশির’ যখন কোনো মানবী তখনও কি সাকিবের সমস্যা হয়?এখন না হলেও শুরুর দিকে হয়তো হয়েছিল। সাকিব যে কোনোমতেই মানবী ‘শিশির’কে মন থেকে তাড়াতে পারছিলেন না।
শিশির দেখতেন টিভিতে ছেলেটাকে খুব দেখায়। আমেরিকান প্রবাসী হলেও বাংলাদেশী টিভি চ্যানেল দেখতেন। সেখানে ওই একজনের চেহারাই দেখা যায় প্রায়ই। ইংলিশ সামারে গিয়ে দেখেন কাউন্টি ক্রিকেটেও সেই ছেলেটিকেই দেখা যায়! ভারী আশ্চর্য্য হলেন শিশির। এই ছেলে সর্বত্র কি করে? তিনি নাকি ক্রিকেট খেলেন!
শিশির ক্রিকেট বোঝেন না, তবে বুঝলেন ক্রিকেটারটিকে। ব্যস! পরিচয় হতে সময় লাগেনি খুব একটা। পরিচয় থেকে পরিণয়েও বেশী সময় নেননি। ১২/১২/১২ দিন-মাস-বছরের এমন সুন্দরতম এক মিলন তিথিতে মিলিত হলো চার হাত।
তামিম ইকবাল এবং আয়েশাঃ ছেলেটা প্রথম দেখাতেই মেয়েটাকে পছন্দ করে ফেলেছিল। কিন্তু মেয়ের উত্তর ছিল- “কী? প্রেম? আমি ‘প্রেম’ শব্দটাকেই ঘৃণা করি!” বুঝুন অবস্থা! হুঁহ, ছেলেও নাছোড়বান্দা। ছাড়বেন কেন? লেগে রইলেন আঠার মতো। অবশেষে মেয়ের মন গললো কিছুটা। ‘প্রেম’ না হলেও বন্ধুত্বের প্রস্তাবটা গ্রহন করলেন সাদরে। সেই বন্ধুত্বটাকেই পাখির চোখ করে ছেলেটা তাঁর লক্ষ্যের দিকে ঠিকই এগিয়ে যেতে থাকেন। একটা সময় মেয়েটাও বুঝতে পারে, এই ছেলে তাঁর জন্য বন্ধুর চেয়েও বেশী কিছু হতে পারে। সেজন্য মালয়েশিয়ায় যখন পড়তে যাচ্ছিলেন, তখন ছেলেটাকে ছেড়ে মোটেই যেতে ইচ্ছে হচ্ছিল না মেয়েটার।
অপেক্ষার অবসান হয়। পড়াশোনা শেষ করে মেয়ে ফিরে ঘরে, ছেলেটাও ইতিমধ্যে পায়ের নীচে খুঁজে পায় নিজের শক্ত জমিন। সেই শক্ত জমিনে দাঁড়িয়ে মেয়ের বাসায় বিয়ের প্রস্তাব পাঠায় ছেলেটা। আর পাত্র যদি হন তামিম ইকবাল, তাঁকে হাতছাড়া করবেন কোন অভিভাবক? মেয়েপক্ষও তাই আর ‘না’ করেননি।অবশেষে ২০১৩ সালের ২২শে জুন তামিম-আয়েশা আবদ্ধ হন পৃথিবীর সবচেয়ে শুদ্ধতম এক বন্ধনে।





