সলমন আপাতত জামিনে মুক্ত হলেন। জেলা দায়রা আদালতের বিচারক রবীন্দ্র কুমার জোশী সলমনের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেন। তাঁরই বদলির আদেশ এসেছিল গতকালই। বার বার জামিনের আবেদনের রায় পিছিয়ে দেওয়ার পর, দুপুর ৩টের সময় এই রায় দেন বিচারক। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

বৃহস্পতিবার নিম্ন আদালত কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলায় সলমনের পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেয়। বাকি অভিযুক্তদের অবশ্য বেকসুর খালাস করে দেওয়া হয়। সলমনকে আদালত থেকেই গ্রেফতার করে জোধপুর সেন্ট্রাল জেলে নিয়ে যাওয়া হয়।

বলিউড সুপারস্টার সলমন খানকে দু’রাত জোধপুর জেলের কয়েদি নম্বর ১০৬ হিসেবে কাটাতে হয়েছিল। কারণ শুক্রবার তাঁর আইনজীবীরা জেলা দায়রা আদালতে সলমনের জামিনের আবেদন করলেও, তার রায় দেয়নি আদালত।

৫১ পাতার জামিনের আবেদনে এই অভিনেতার সপক্ষে ৫৪টি বিষয় তোলা হয়েছিল। সলমনের আইনজীবীদের বক্তব্য ছিল, কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলায় সাক্ষীদের বয়ান ভরসাযোগ্য নয়। সেই সাক্ষীদের বক্তব্যের উপর ভিত্তি করে সলমনের কারাবাসের আদেশ অযৌক্তিক। তার পরেই বিচারক সরকারি পক্ষের আইনজীবীদের বক্তব্য জানতে চান।

সুপারস্টারের দুই বোন অর্পিতা ও আলভিরা জোধপুরেই দু’দিন ছিলেন। শনিবার সকালে তাঁরা আদালতেও উপস্থিত হন। শুক্রবার জেলে গিয়ে সলমনের সঙ্গে দেখা করেন অভিনেত্রী প্রীতি জিন্টা। আদালত চত্বরে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়।

তবে কারাদণ্ডের ঘটনা সলমনের জন্য নতুন কিছু নয়। এর আগে তাঁর গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যুর ঘটনায় সলমনের পাঁচ বছরের জেল হয়েছিল। কিন্তু ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে তিনি সব অভিযোগ থেকে মুক্ত হন।

১৯৯৮ সালে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবির শ্যুটিং চলাকালীন কাঙ্কানি গ্রামে দু’টি কৃষ্ণসার হরিণকে সলমন হত্যা করেন বলে অভিযোগ। তাঁর সঙ্গে সইফ আলি খান, তব্বু ও সোনালী বেন্দ্রেও ছিলেন।