হৃদরোগে নয়, হোটেলের বাথটবে ডুবেই শ্রীদেবীর মৃত্যু, দাবি ময়নাতদন্তের রিপোর্টে। হৃদরোগে আক্রান্ত নয়, জলে ডুবেই মৃত্যু, বলছে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট। মাথা ঘুরে পড়ে যান বাথটবের জলে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে এমনটাই উল্লেখ। গালফ নিউজের দাবি, শ্রীদেবীর শরীরে মিলেছে অ্যালকোহল।

শ্রীদেবীর মৃত্যু ঘিরে একগুচ্ছ প্রশ্ন তৈরি হচ্ছিল। রয়েছিল ধোঁয়াশাও। শেষমেশ ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানা গেল, বাথটবে ডুবেই শ্রীদেবীর মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, ডেথ বাই অ্যাক্সিডেন্টাল ড্রাউনিং। অর্থাৎ, দুর্ঘটনাবশত জলে ডুবে মৃত্যু। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী, দুবাইয়ে রাত ১১টায় শ্রীদেবীর মৃত্যু হয়।

এদিকে, গালফ্ নিউজের খবর, শ্রীদেবীর শরীরে মিলেছে অ্যালকোহল। সূত্রের খবর, মত্ত অবস্থায় বেসামাল হয়ে পড়েছিলেন শ্রীদেবী। সেই সময়, কোনওভাবে, বেসামাল হয়ে বাথটবে পড়ে যান শ্রীদেবী।

প্রসঙ্গত, শনিবার রাতে অভিনেত্রীর মৃত্যুর পর ৩৬ ঘণ্টা পেরিয়ে গিয়েছে। এখনও তাঁর দেহ হাতে পাননি পরিবারের সদস্যরা। তবে শেষ খবর অনুযায়ী, শ্রীদেবীর দেহ দুবাই থেকে মুম্বইয়ে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া চলছে। শ্রীদেবীর ডেথ সার্টিফিকেট দিল দুবাইয়ের হাসপাতাল। শ্রীদেবীর পাসপোর্ট বাতিল করে দেওয়া হবে এনওসি।

একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ছোট মেয়ে খুশি এবং স্বামী বনি কপূরের সঙ্গে দুবাই গিয়েছিলেন শ্রীদেবী। তারপর বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে, ২১ ফেব্রুয়ারি বনি এবং মেয়ে মুম্বই ফিরে এলেও, দুবাইয়ে একলা থেকে গিয়েছিলেন শ্রীদেবী। কেন একা রয়ে গিয়েছিলেন শ্রীদেবী সেই নিয়েই তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন।

এদিকে ২১ ফেব্রুয়ারি ফিরে আসার পর ফের ২৪ ফেব্রুয়ারি দুবাই যান বনি কপূর। এরমধ্যে, গত ৪৮ ঘণ্টা হোটেলের ঘর থেকে একমুহূর্তের জন্যে বাইরে পা রাখেননি শ্রী। অথচ বনি কপূর যেদিন যান, তার ঠিক আধ ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যু হয়েছে অভিনেত্রী। হোটেলের ঘরে দুজনের মিনিট পনেরো কথাও হয় বলে জানা যায়। তারপর দুজনেই ডিনার ডেটে যাবেন বলে ঠিক করেন। তারমধ্যেই ঘটে যায় এই অঘটন। এই ঘটনার পর হোটেলের গোটা ফ্লোর সিল করে দিয়েছে দুবাই পুলিশ।