শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের ১০ বছরের বৈবাহিক সম্পর্ক আর ১২ বছরের ফিল্মি ক্যারিয়ার, দুটিই এখন থেমে গেছে। গতকাল সোমবার ছিল ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে শাকিবের করা ডিভোর্সের আবেদনের দ্বিতীয় দফা সমঝোতা বৈঠক।
কিন্তু প্রথম বৈঠকের মতো দ্বিতীয়বারও শাকিব দেশে না থাকায় ‘সমঝোতা’ মূলত ভেস্তে গেছে। এরপরই ডিভোর্স মেনে নেওয়ার কথা জানান অপু বিশ্বাস। তবে এক্ষেত্রে দুজনের ইচ্ছাতে নয়, বরং শাকিবের সিদ্ধান্তে এই বৈবাহিক জীবনের পর্দা নামল বলে মনে করেন তিনি।
আর শাকিবের কথায় ‘সহ্যের সীমা আছে, অপুর জন্য কী করিনি, সে আমাকে স্বামী হিসেবে কখনো মানেনি। ২০০৮ সালে বিয়ের পর ২০১০ সালে এক নায়কের সঙ্গে তাকে হাতেনাতে ধরার কথা তখন পত্রপত্রিকায় এসেছে।
একজন স্ত্রীকে পরপুরুষের সঙ্গে অন্য অবস্থায় ধরে ফেলার পর কোনো স্বামী কি তা ক্ষমা করে। কিন্তু আমি করে দিয়েছিলাম। চেয়েছিলাম সুখে শান্তিতে ঘর করতে। তারপরেও সে নানাভাবে আমাকে মানসিক যন্ত্রণা দিয়েছে। সর্বশেষ গত বছরের ১০ এপ্রিল আমার বিরুদ্ধে আমার সন্তানকে নিয়ে টেলিভিশন চ্যানেলে লাইভ অনুষ্ঠানে যাওয়া কি তার উচিত ছিল?





