ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিনএসিসি) পারিবারিক আদালত বাংলাদেশের জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খান ও নায়িকা অপু বিশ্বাসকে শাকিব খানের পাঠানো তালাক নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে আজ (১৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় ডিএনসিসি অঞ্চল-৩ মহাখালী কার্যালয়ে তাদের দুজনকেই থাকতে বলা হয়েছিল।

সে অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের প্রায় দুই ঘণ্টা পর ডিএনসিসি’র সালিশ পরিষদে একাই এসে হাজির হন অপু বিশ্বাস। তখন অপুর মামা স্বপন বিশ্বাস তার সঙ্গে ছিলেন। তবে এ সালিশে শাকিব খান উপস্থিত হননি।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) পারিবারিক আদালতে ডিভোর্স সংক্রান্ত বিষয়ে সোমবার সমঝোতা বৈঠকে অংশ নেন অপু বিশ্বাস। তবে শাকিব খান এতে অংশ নেননি।

সালিশ ইস্যুতে শাকিব খান গণমাধ্যমকে বলেছেন, দেখুন এসব নিয়ে আর মাথা ঘামাতে চাই না। এসব নিয়ে মাথি ঘামানোর সময়ও আমার নেই। আমার যা বলার আমি আগেই বলেছি। আমার আইনজীবী আছে। যেহেতু বিষয়টা আর ব্যক্তিগত পর্যায়ে নাই, সেহেতু আইনগতভাবেই এগোনো হচ্ছে।

বৈঠকে অংশ নিয়ে অপু বলেছেন, শাকিব খানের জন্য আমি ধর্ম ছেড়েছি। কিন্তু অন্যদের কথায় ভুল বুঝে সে আমাকে তালাক নোটিশ পাঠিয়েছে। আমি বিচ্ছেদ চাই না।আমার একটা সন্তান রয়েছে, আমি এখন বিচ্ছেদ চাই না। তাছাড়া শাকিব যে অভিযোগগুলো করেছে এগুলো ঠিক না। শাকিব খানের সঙ্গে সামনাসামনি কথা বললে সব ঠিক হয়ে যেতো উল্লেখ করেন তিনি বলেন, ভেবেছিলাম আজ পাবো, কিন্তু পেলাম না।

গত ২৪ ডিসেম্বর শাকিব ও অপুর কাছে শুনানিতে হাজির হওয়ার জন্য নোটিস পাঠানো হয়। ১৫ জানুয়ারি ডিএনসিসির অঞ্চল-৩ এর অফিসে তাদের তালাকের বিষয়টি নিয়ে শুনানি হবে।

সিটি করপোরেশনের পারিবারিক আদালত সূত্রে জানা গেছে, কোনো পক্ষ তালাকের আবেদন করলে আদালতের কাজ হচ্ছে ৯০ দিনের মধ্যে উভয়কে তিনবার ডেকে সমঝোতার চেষ্টা করা। সমঝোতা না হলে স্বাভাবিকভাবেই তালাক কার্যকর হয়ে যাবে। এখানে সময় বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।