এর আগে দেশের বাইরে টানা শুটিংয়ের জন্য শাকিব খানকে এতদিনের জন্য থাকতে দেখা যায়নি। এবারই প্রথমবারের মত টানা আড়াই মাস বাইরে থাকছেন তিনি। বলছেন এ সময়ে বিভিন্ন সিনেমার শুটিংয়ে অংশ নিবেন। কিন্তু জোর গুঞ্জন আসল উদ্দেশ্য অপু বিশ্বাসকে দেওয়া তালাকের নোটিশ কার্যকর করা।

গত বছরের নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে রাশেদ রাহার ‘নোলক’র শুটিংয়ের জন্য ভারতে যান শাকিব। সেখান থেকে ডিসেম্বর একদিনের জন্য দেশে আসেন বলে গুঞ্জন রয়েছে। ২৬ ডিসেম্বর রামুজি ফিল্ম সিটির শুটিং শেষ করে পুরো ইউনিট দেশে ফিরলেও ফেরেননি খান সাহেব। কলকাতাতেই থার্টি ফার্স্ট সেরেছেন।

কলকাতা থেকে সোজা উড়ে গেছেন থাইল্যান্ড। সেখানে বুধবার থেকে অংশ নিবেন ‘আমি নেতা হবো’ ও ‘চিটাগাইঙ্গা পোয়া নোয়াখাইল্লা মাইয়া’ সিনেমার চারটি গানের শুটিংয়ে। তারপর সোজা অস্ট্রেলিয়া।

অস্ট্রেলিয়াতে আশিকুর রহমানের ‘সুপার হিরো’র শেষ করে ‘অপারেশন অগ্নিপথ’র আটকে থাকা শুটিং শেষ করবেন। সব মিলিয়ে দেশে ফিরবেন মার্চের প্রথম সপ্তাহে।

আট বছরের দাম্পত্য সম্পর্কে ইতি টেনে অপু বিশ্বাসকে তালাকের নোটিশ পাঠান শাকিব খান গত বছরের ২০ নভেম্বর। নিয়ম অনুযায়ী নোটিশ পাঠানোর ৯০ দিনের মধ্যে সমঝোতা না হলে তালাক সংক্রিয়ভাবে কার্যকর হয়ে যায়। যা কিনা ২০ ফেব্রুয়ারি পূর্ণ হবার কথা।

এরমধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পারিবারিক আদালত শাকিব-অপু দুজনকে সমঝোতার জন্য ডেকেছেন ১৫ জানুয়ারি। ওই তারিখ কোনো কারণে মিস হলে আরো দুবার তাদের ডাকা হবে। শাকিব চাইছেন কোনো ধরনের সমঝোতা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে না যেতে। তাই এভাবেই শিডিউল দিয়ে রাখা।

যদিও শাকিব এসব বিষয় এড়িয়ে গিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে বলেন, ‘এত দিন দেশের বাইরে থাকতে আমারই খারাপ লাগছে। কিন্তু কী করবো বলুনতো! সবাইকে যে আগে থেকে শিডিউল দেওয়া। কাউকে তো ফাঁসাতে পারি না।’

শাকিব মুখে স্বীকার না করলেও তা কার্যক্রমে বিষয়টি পরিষ্কার তিনি অপু বিশ্বাসের সাথে সম্পর্ক ফের জোড়া লাগাতে চান না। তবে অপু বিশ্বাস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত— সংসার টিকিয়ে রাখার জন্য। এখন সময় বলে দিবে তার এ চেষ্টা কতটুকু কাজে লেগেছে।