ছোট্ট সোনামণিদের শিক্ষা জীবনের প্রথম বোর্ড পরীক্ষা হচ্ছে পিএসসি তথা প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা এবং মাদ্রাসার ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা।
প্রাথমিক শিক্ষার গণ্ডি ফেরোনোর এ বোর্ড পরীক্ষার ফলাফল শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) প্রকাশিত হয়েছে। এবার প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী পরীক্ষার পাসের হার ৯৫.১৮ শতাংশ।
প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে যে, প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী সমাপনী মিলিয়ে মোট পরীক্ষা দিয়েছে ৩০ লাখ ৯৬ হাজার ৭৫ জন ক্ষুদে শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৬শ’ ৬০৯ জন।
এর আগে শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর বেলা ২টায় নিজ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ফলাফলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
যেভাবে পাওয়া যাবে ফল:
ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, যশোর, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট ও দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জেএসসি এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট সকল পরীক্ষা কেন্দ্র/শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ই-মেইল/ওয়েব মেইল) এবং এসএমএসের মাধ্যমে দুপুর আড়াইটায় একযোগে প্রকাশ করা হবে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি পরীক্ষার্থীরা মোবাইল ফেনে এসএসএম, শিক্ষাবোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট educationboardresults.gov.bd এবং সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারবেন।
প্রাথমিক-ইবতেদায়ি সমাপনীর ফল জানতে, প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনীর ফল dpe.gov.bd ও dpe.teletalk.com.bd ওয়েবসাইট থেকে এবং এসএমএসের মাধ্যমে সংগ্রহ করা যাবে।
এসএমএসর মাধ্যমে প্রাথমিক সমাপনীর ফল পেতে যেকোন মোবাইল থেকে DPE লিখে স্পেস দিয়ে স্টুডেন্ট আইডি লিখে স্পেস দিয়ে 2017 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি ম্যাসেজে পরিক্ষার্তীর ফল জানানো হবে।
ইবতেদায়ি পরিক্ষার ফলাফল জানতে মোবাইলের ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে EBT লিখে স্পেস দিয়ে স্টুডেন্ট আইডি লিখে স্পেস দিয়ে 2017 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে।
উল্লেখ্য, বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে সময় চেয়ে মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাব পাঠানো হয়। প্রধানমন্ত্রী সময় ঠিক করে দিলে সে অনুযায়ী ফল প্রকাশ করা হয়। ফলে দুটো পরীক্ষার ফলাফল এবার একইদিনে প্রকাশ করা হবে।
চলতি বছরের ২০ নভেম্বর দেশের সাত হাজার ২৬৭টি ও বিদেশের ১২টি কেন্দ্রে একযোগে শুরু হয় প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা-২০১৭। এতে অংশ নেন ৩০ লাখ ৯৬ হাজার ৭৫ জন ক্ষুদে শিক্ষার্থী।




