অবশেষে ডিভোর্স লেটার (চিঠি) হাতে পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। বুধবার (০৬ ডিসেম্বর) নায়িকা নিজেই বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।অপু বললেন,

‘গতকাল তালাকের কাগজ হাতে পেয়েছি। এখন আমার পরিবারের সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবো।’ তবে সংবাদ সম্মেলন কবে করতে যাচ্ছেন এ বিষয়ে স্পষ্ট করেননি ঢাকাই ছবির জনপ্রিয় এই নায়িকা।

জানা যায়, আইন অনুযায়ী কোনো পদক্ষেপ না নিলে কিংবা শাকিব নোটিশটি প্রত্যাহার না করলে ৯০ দিনের মাথায় বিচ্ছেদ হয়েই যাবে তাদের। কিন্তু অপু বলেন, আমি চাই না শাকিব আমাকে আর জয়কে এমন বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে ফেলুক। আমি শাকিবের সব শর্ত মেনে সংসার করতে চাই। বিষয়টি আমার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ জয়ের জন্য।

অপু আরও বলেন, প্রয়োজনে আমি আলাদা বাসায় থাকব। আমার মুখও তাকে দেখতে হবে না। যদি শাকিব চায় তাহলে প্রথম স্ত্রী হিসেবে আমি তাকে দ্বিতীয় বিয়ে করার লিখিত অনুমতিও দেব। শুধু সে যেন আমাকে ডিভোর্স না দেয়। জয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে, তার ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে শাকিবকে অনুরোধ করব সিদ্ধান্ত বদলের। জয় যেন তার স্কুল বা কলেজ জীবনে কখনও বাবার বিষয় নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি না হয়এটাই আমার চাওয়া। মেনে নিলাম, আমার কিছু ভুল আছে, শাকিবেরও তো কিছু ভুল রয়েছে, কিন্তু জয়ের তো কোনো ভুল নেই। সে কেন আমাদের জন্য কষ্ট পাবে। এখন সে কিছুই বোঝে না, কিন্তু যখন বুঝতে শিখবে তখন আমি কী জবাব দেব তাকে?

আমার ধর্ম পরিবর্তনের কষ্ট নিয়ে বাবা মারা গেছেনঃ জানালেন অপু বিশ্বাস, বিস্তারিত পড়ুন…..

শাকিব খান তার স্ত্রী অপু বিশ্বাসকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছে। এরপর থেকে সারাদেশে আলোচিত হয়ে উঠেছে ঢাকাই ছবির তারকাজুটির ডিভোর্স। বেশ কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে শাকিব খান অপুকে জোর করে ধর্মান্তরিত করেছে। কিন্তু এ কথাটা আগে কখনো শোনা যায়নি।

এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে অপু বিশ্বাস বলেন, জোর করে ধর্মান্তরিত করেছে এমন কথা আমি কাউকে বলিনি। আমার বক্তব্য ছিল প্রেম করে বিয়ের পর শাকিব চাইতো আমি যেন ইসলাম ধর্ম পালন করি। সে আমার স্বামী, তার সন্তুষ্টির জন্যই আমি ধর্ম পরিবর্তন করেছিলাম। এতে করে সমাজে আমার পরিবার ছোট হয়েছে। অনেক হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। এই কষ্ট মনে নিয়ে আমার বাবা মৃত্যুবরণ করেছেন।

তিনি বলেন, তবুও আমি সংসার নষ্ট হতে দেইনি। আজ আমাকে শাকিব তালাক দিতে চাইছে। আমি এখন কোথায় গিয়ে দাঁড়াব। আমার সম্প্রদায় তো এখন আমাকে আর স্বাভাবিকভাবে মেনে নেবে না। শাকিব তার আশপাশের লোকদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আমি নিশ্চিত। তার ভুল ভাঙার অনেক কারণ আছে।

অপুই প্রথম নয়, রাত্রিকেও সন্তানসহ ত্যাগ করে ছিলেন শাকিব খান, বিস্তারিত পড়ুন…..

পারিশ্রমিক, শিডিউল, চিত্রনাট্য, মান-অভিমান, ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ—কত কারণেই না ছবি ছেড়ে দেন প্রতিষ্ঠিত নায়ক-নায়িকারা। সুযোগ পেয়ে যায় নতুন কেউ, খুলে যায় ভাগ্য, জন্ম নেয় নতুন কোনো তারকা। হঠাৎ সুযোগ পেয়ে এভাবেই জীবনের মোড় ঘুরে গিয়েছিলো শাকিব খানেরও। আর তাতেই ধরাকে সরা জ্ঞান করা শুরু করেন এই অভিনেতা। সাম্প্রতিক সময়ে বুবলির জন্য অপু বিশ্বাসকে ত্যাগ করার ঘটনায় সোচ্চায় চলচ্চিত্রাঙ্গন, কিন্তু এখনও শাকিবের ক্যারিয়ারের প্রথম দিকের স্ক্যান্ডালটি এফডিসির আলোচনায় উঠে আসে মাঝে মাঝে।

এ প্রসঙ্গে যাওয়ার আগে শাকিব খানের উত্থানের গল্পটি শোনা যাক।

২০০৪ সাল, একটি ত্রিভুজ প্রেমের গল্প নিয়ে ‘আমার স্বপ্ন তুমি’ ছবি বানাবেন হাসিবুল ইসলাম মিজান। ফেরদৌস আর শাবনূরকে প্রস্তাব দিলেন, তারা রাজি। পরে তাদের সঙ্গে আলোচনা করলেন ছবিতে রিয়াজকে নেওয়ার ব্যাপারে। কিন্তু রিয়াজের প্রতি আগ্রহ দেখালেন না শাবনূর। রিয়াজের সঙ্গে অনেক হিট ছবি থাকলেও মনোমালিন্যের কারণে এড়িয়ে যেতে চাইলেন। কিন্তু মিজান নাছোড়বান্দা, শাবনূরকে বোঝালেন। শাবনূর নরমও হলেন। কিন্তু রিয়াজই সাফ জানিয়ে দিলেন, এই ছবি করবেন না। বিপাকে পড়লেন মিজান। কাকে নেবেন?

তখন ইন্ডাস্ট্রিতে ত্রিভুজ প্রেমের ছবি করার মতো রোমান্টিক নায়ক রিয়াজ-ফেরদৌস ছাড়া আছেন শাকিল খান। শাকিলের ক্যারিয়ার তখন পড়তির দিকে। মিজানের সহকারী বললেন শাকিব খানের কথা। পাঁচ বছর হলো এফডিসিতে ধুঁকে ধুঁকে চলছেন শাকিব, তবু তারকা হতে পারেননি। আমিন খান, আলেকজান্ডার, শাহীন আলমদের সঙ্গে কাজ করে বেশ কিছু হিট ছবি উপহার দিলেও সাফল্যের কৃতিত্ব পাননি। মিজান বেশ দ্বিধায় পড়ে গেলেন। এদিকে ফেরদৌস ও শাবনূরের শিডিউল নেওয়া। শ্যুটিং করতে হবে।

শাবনূরের সঙ্গে শাকিবের ব্যাপারে আলোচনা করলেন। শাবনূর রাজি। শুধু তাই নয়, বললেন, ‘শাকিবের ভেতরে চেষ্টা আছে, অভিনেতাও ভালো। সুযোগ পেলে অবশ্যই ভালো করবে।’ মিজান পরবর্তী সময়ে শাকিবের সঙ্গে দেখা করে ছবির বাজেট ও পারিশ্রমিক নিয়ে আলোচনায় বসলেন। শাকিব বললেন, ‘টাকা-পয়সা ব্যাপার না, ছবিটি করতে চাই।’ শুরু হলো শ্যুটিং। ইউনিটের সবাই শাকিবের অভিনয়ে মুগ্ধ। ডাবিং করার সময় পুরো ছবি দেখে মিজানকে শাবনূর বললেন, ‘এই ছবির পর শাকিব সুপারস্টার হয়ে যাবে।’ হলোও তাই!

পরের বছর মুক্তি পেল ছবিটি। পাল্টে গেল শাকিবের ভাগ্য। তার লুক, অভিনয়, শাবনূরের সঙ্গে রসায়ন— দারুণ পছন্দ করেছে দর্শক। মান্না, রিয়াজ, ফেরদৌস এমনকি আলেকজান্ডার, মেহেদির পরে আসত শাকিবের নাম। ‘আমার স্বপ্ন তুমি’র পর সব হিসাব উল্টে গেল। উত্থান হলো তারকা শাকিব খানের।

এবার আসি পর্দার পেছনের শাকিব খানের অন্ধকার জীবনের গল্পে।

ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে এক দুর্বল মুহূর্তে শাকিব খান রাত্রি নামের এফডিসির এক এক্সট্রা শিল্পীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ সম্পর্ক গড়ে তোলেন। যার ফলশ্রুতিতে শাকিব খানের ঔরসে রাত্রির একটি সন্তানও জন্ম নেয় বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। এ বিষয়টি অনেক পুরনো। এফডিসির পুরনো মুখ সবাই ঘটনাটি জানেন। কিন্তু নতুন করে আলোচনায় আসে চলচ্চিত্র অভিনেতা শান আরাফের একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস প্রকাশিত হওয়ার পর। শান আরাফ এফডিসিতে কাজ করছেন অনেকদিন। মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত ‘চুপি চুপি প্রেম’ ছবিতে কাজ করে ব্যাপক প্রশংসিতও হন তিনি। শান আরাফ তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে বলেন:

তাহলে রাত্রির কি হবে?? ……..
যখন শাকিব খান নতুন ছিলো তখন এফডিসিতে রাত্রি নামে একজন এক্সট্রা শিল্পীর সাথেও নাকি শাকিব খানের বিয়ে হয়েছিল বলে রাত্রি জোর দাবি করে, যদিও তার কাছে বিয়ের কোন কাগজ পত্র নেই, গরিব এবং অশিক্ষিত মনে হয় রাত্রিকে….. সেই ঘরেও শাকিব খানের একটা ছেলে আছে, গরিব বলে আজও রাত্রি তার ছেলের স্বীকৃতি পায়নি শাকিব খানের কাছ থেকে……অপু নায়িকা আর সে নায়িকা নয় বলেকি তার কিছুই হবেনা……??

এখনও রাত্রি এফ ডি সি তে পাগলের মতো ঘুরে বেড়ায়…..এফ ডি সি তে প্রায় সবাই রাত্রিকে চেনে….

[তথ্যসূত্র: চলচ্চিত্র নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন সম্পাদিত পত্রিকা নিরাপদনিউজ.কম] এছাড়াও বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেদক এফডিসির একজন পুরনো কর্মীর সাথে কথা বলেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ক্যামেরা সহকারী বলেন, “রাত্রী নামের একটি মেয়েকে মাঝে মাঝেই এফডিসিতে দেখা যায়। এক্সট্রা শিল্পী হিসেবে কাজ করেন। মেয়েটি বহুবার দাবী করেছে শাকিব খানের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। এমনকি চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি অফিসেও গিয়েছিলেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে সেখানে শাকিব খানের সাথেও তর্ক হয়েছে বলে শুনেছি। তাদের একটি সন্তান আছে বলে মেয়েটি জানিয়েছে।”
বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতের অন্যতম প্রাণপুরুষ এবং কিংবদন্তী নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। চলচ্চিত্র এবং গণমাধ্যমে যাকে শ্রদ্ধা করেন এবং ভালোবাসেন সবাই। জনসচেতনতামূলক কাজ ও সামাজিক আন্দোলনে সব সময়ই তিনি কার্যকর ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের পাশাপাশি সংবাদ মাধ্যমেও তিনি সক্রিয়। তার মালিকানাধীন এবং সম্পাদনায় প্রকাশিত পত্রিকা নিরাপদ নিউজ-এ শাকিব খান ও রাত্রির মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিলো ইতিপূর্বে। সব মিলিয়ে মিথ্যে অভিযোগের ভিত্তিতে অপু বিশ্বাসের সাথে ছাড়াছাড়ি, বুবলির সাথে ঘনিষ্টতা ইত্যাদি শাকিব খানের চারিত্রিক দুর্বলতাই প্রকাশ করে। রাত্রির সাথে যা ঘটেছিলো, অপু বিশ্বাসের সাথেও তা ঘটেছে, বুবলির ভাগ্যে কী আছে, কে বলতে পারে!

সে দিন রাতে যা হয়ে ছিলো, মুখ খুললেন অপু বিশ্বাস ।

খুললেন অপু বিশ্বাস-বাচ্চা কোলে বেসরকারি একটি টেলিভিশন চ্যানেলে সাক্ষাৎকারে নায়ক শাকিবের সঙ্গে নিজের বিয়ের কথা ফাঁস করেছেন নায়িকা অপু বিশ্বাস। এটি শোবিজের বহুল আলোচিত একটি বিষয় হলেও প্রমাণ না থাকায় বিষয়টি নিয়ে এতদিন কেউ কথা বলেননি।

কিন্তু সোমবার সরাসরি এক অনুষ্ঠানে বাচ্চা কোলে হাজির হন অপু বিশ্বাস। বলেন, শাকিবের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছে, এই বাচ্চা তাদের।

শাকিব-অপুর এই বিষয়টি নিয়ে ঘুরে-ফিরে বার বার এসেছে আরেক নায়িকা বুবলীর নাম। এ বিষয়ে গতকাল তিনি মুখ না খুললেও মঙ্গলবার সকালে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি।

এতে তিনি লিখেছেন-

ব্যাপারটি কি emotional নাকি professional ??

কোনটা ?

হুমম একটু ভেবে বললে ভালো (যদি সময় হয় কারন সবাই এখন ব্যস্ত থাকেন )

জানি , আপনারা এখন অনেকেই অনেক কিছু ভাবছেন । আমাদের দেশে মাঝেমাঝে কিছু কিছু issue সবার সামনে এসে দাঁড়ায় যখন অধিকাংশ ( সবাই না ) মানুষ হুমড়ি খেয়ে এক তরফা judgement করতে শুরু করে । আর এদের মধ্যে যারা একটু ভিন্নভাবে ভাবতে চায় তাদের যে কত কথা শুনতে হয় তা নাহয় নাই বললাম । একদম recent issue নিয়ে যদি কথা হয় তাহলে আমার মন্তব্য না করাটাই শ্রেয় । কারন এটি সম্পুর্ণ যার যার ব্যক্তিগত ব্যাপার , আর আমি স্বভাবতই নিজের মত থাকতে পছন্দ করি কিন্ত যখন সেখানে আমার কিছু issues মানুষ নিয়ে আসে তখন তো সেখানে স্বাভাবিকভাবে অনেকেই জানতে চাইছে এবং অনেক phone calls পাচ্ছি এসব নিয়ে যে আমি কিভাবে দেখছি এসব !

By the way আমি প্রথমেই একটা জিনিস জানতে চাই গতকাল কেন অপু বিশ্বাস এতো দিনের আড়াল ভেঙে সরাসরি channel এ গিয়ে এসব কথা বললেন ?

কই এতোদিন তো যাননি , কারো সামনে আসতে চাননি.. কেনো ?

কই সাংবাদিক ভাইরা তো এতো চেষ্টা করেও সামনে আনতে পারলেন না, মুখ খোলাতে পারলেন না, বরং আপনারা নাকি যখন জিজ্ঞেস করেছেন তখন নাকি নানান কথা বলেছে । তার ভাষ্যমতে, ২০০৮ সাল থেকে সে বিবাহিত তাহলে এতোদিন কেনো মর্যাদা চায়নি? শাকিব নাহয় লুকিয়েছে , সে লুকায়নি ? কেনো career এর জন্য ?

একজন wife er কাছে career এতোই বড়?

Career নিয়ে ভাবা ঠিক আছে but নিজের মর্যাদা আদায় এর আগে কি career ?

অপু বিশ্বাস আরো বলেছেন তার সাথে শাকিবের গত এক বছরের মত কথা হয়না, এটা কি কোন সম্পর্কের জন্য স্বাভাবিক ? তখনও তো স্বীকৃতি চাইতে সবার সামনে আসলো না । কেনো ?

সে আরো বললো তার delivery হয়েছে গত বছর September এ তাহলে তখন আসলো না স্বীকৃতির জন্য । কেনো ?

শাকিব নাহয় লুকিয়েছে, সে লুকায়নি ?

একজন মায়ের কাছে কি সন্তানের থেকে career বড় ?

কই গত পরশুদিন পর্যন্ত তো সে বাচ্চাটির স্বীকৃতি চাইলোনা !

এবার আসি কেনো আসলেন সামনে…

গতকাল যখন একটি পত্রিকায় news হল “রংবাজ ” ছবি নিয়ে, তখন তার নাকি মাথা খারাপ হয়ে গেলো আমার নাম দেখে ।

সে চায় না শাকিব বুবলী একসাথে কাজ করুক , সে শাকিবকে লোক মারফতে জানালো ( যেহেতু সেই বলেছে শাকিব আর তার নাকি কথা হয়না এক বছরের মত ) তাকে নিয়ে একটি ছবির news করাতে নাহয় আমাকে নিয়ে ছবির news off করাতে নাহলে এটার শেষ দেখে ছাড়বে সে ।

আজকে এখানে বুবলী না থেকে অন্য কেউ থাকতে পারতো যার সাথে শাকিবের জুটি গড়ে উঠেছে , অপু বিশ্বাস যেটা আগের অনেক নায়িকাদের ক্ষেত্রে করতে দেয়নি যা শাকিব নিজেই বলেছে…

কেনো রাজ্জাক sir শাবানা ম্যাডাম , রাজ্জাক sir ববিতা ম্যাডাম, রাজ্জাক sir কবরী ম্যাডাম জুটি ছিলেন না ?

রিয়াজ ভাই শাবনুর আপু, রিয়াজ ভাই পূর্নিমা আপু জুটি ছিলেন না ?

এমন তো অনেক উদাহরণ আছে , কিন্তু অপু বিশ্বাস তার বাইরে কোন জুটি established হোক এমনটি চায়নি বলেই কি তার মর্যাদা এতোদিন চাইলোনা আর সন্তানের স্বীকৃতি এতোদিন চাইলো না ।

তাহলে কি ! সে exercise করে নাকি ফিট হয়ে এসে আবার শাকিবের সাথে movie করতো । তাহলে তার মর্যাদা আদায়ের কথা নাহয় বাদ দিলাম , তার বাচ্চাটির স্বীকৃতি কোথায় যেতো ?

এরকম চাপাই থাকতো ! আজকে এই movie করা নিয়েই তো এতো কিছু, তাকে নিয়ে movie declaration আসলে কি সে বাচ্চার স্বীকৃতি চাইতো ?

লুকিয়ে রাখতো না ?

ধরলাম শাকিব না করেছে বলতে কিন্ত মা হয়ে সে কি করলো ?

এখন movie নিয়ে problem হল বলে সবার সামনে এসে সব বলছে ?

সে সব জায়গায় বেশ কিছুদিন ধরে বলে আসছে তার ছবি করেছি আমি ।

তাই আমি হতে পেরেছি ।

আরে বাবা, পৃথিবীর অনেক দেশেই তো অনেকের replacement এ অনেকে movie করছে বলিউড superstar থেকে শুরু করে ঢালিউড পর্যন্ত , এমন কি অপু বিশ্বাস নিজেও অন্য অনেকের replacement এ movie করেছে ।

তাহলে এখানে এসব অযৌক্তিক কথা বলার কি মানে ?

একজন মানুষকে তারকা বানায় তার দর্শকরা, তার ভক্তরা । যার জন্য আমি আমার দর্শক এবং আমার ভক্তদের কাছে কৃতজ্ঞ এতো অল্প সময়ে আমাকে এতো ভালোবাসা দেবার জন্য। আর আজকে আমি বসগিরি দিয়ে entry না করলে ” প্রিয়া রে” ছবি দিয়ে আসতাম কারন সব প্রস্তুতি সেভাবেই নেয়া হয়েছিল । যেটা ওই ছবির director, producer থেকে শুরু করে অনেকেই জানেন । ” প্রিয়া রে ” তো অন্য কারো movie ছিল না, তখন সে কি বলতো ?

যাই হোক , যে কেউ viewer হিসেবে যে কোন মন্তব্য করতে পারেন সহজে কিন্তু একমাত্র তাঁরাই ভালো বলতে পারেন সবকিছু যখন যারা যেসব situation এর মধ্য দিয়ে যান । আর আমাকে নিয়ে কেউ যখন সারাক্ষন কথা বলে তখন I have right to clear something n I just tried to do that….

আর হ্যাঁ সহশিল্পীদের সবার সাথে সবার ভালো understanding থাকে যেটা আমার সাথে শাকিবের আছে এবং থাকবে ।

তাকে অনেক শ্রদ্ধা করি যেটা একদিনে তৈরি হয়না যে একদিনে কমে যাবে ।

সবাই কে ছেড়ে কোথায় হারিয়ে গেলেন নায়িকা অপু বিশ্বাস ? মিডিয়া জুড়ে তোলপাড়…..