রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসভায় রবিবার (১২ নভেম্বর) বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া যে বক্তব্য দিয়েছেন তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

সোমবার (১৩ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে বিপ্লব ও সংহতি দিবস ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি খালেদার ওই বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন। আলোচনা সভার আয়োজন করেন জাতীয়তাবাদী প্রজন্ম ৭১ কেন্দ্রীয় কমিটি।

তিনি বলেন, জনসভায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া শেখা হাসিনাকে আক্রোশ করে কোনো বক্তব্য দেন নি। তিনি রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়েছেন।
বেগম জিয়া বলেছেন, ইভিএম পদ্ধতি ও বর্তমান সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন নয়, সেনা তত্ত্বাবধানে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন হতে হবে।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিএনপির সমাবেশে সরকার যানবাহন বন্ধ করে দিয়ে তারা নিজেরাই আক্রোশের পরিচয় দিয়েছে। তবুও জনগণ পায়ে হেঁটে জনভায় অংশগ্রহণ করেছেন। এট ঐতিহাসিক সভা হয়েছে বলেও দাবি নজরুলের।

একই আলোচনা সভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন নয়। আমরা এখনো বলছি আলোচনায় আসুন। আর তা যদি না করেন কীভাবে আওয়ামী লীগকে হটাতে হয় এদেশের মানুষ তা জানে।

পুলিশকে উদ্দেশ্য করে দুদু বলেন, আগামীতে যদি শেখ হাসিনা কোনো জনসভা করে তাহলে তাদের নেতাকর্মীদের দু’দিন আগ থেকে গ্রেফতার করে লাঠিপেটা করে পুলিশ যেন লাঠিপেটা করে। না হলে বিএনপি পুলিশের এ আচরণ মনে রাখবে।

আয়োজক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ঢালী আমিনুল ইসলাম রিপনের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক রিপনের সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার, জিনাফের সভাপতি মিয়া মোহাম্মদ আনোয়ার, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কেএম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।