বিশ্বজুড়ে দিনকে দিন বাড়ছে ডলদের চাহিদা৷ তাই ইতিমধ্যেই কর্মীদের কপালে পড়েছে চিন্তার ভাঁজ৷ কিন্তু এবার তার থেকেও গুরুতর সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন তারা৷ সর্বক্ষণ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এরা কাজ করে চলেছেন৷ পড়তে হচ্ছে হুমকির মুখে৷ নিউজিল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়ার যৌনকর্মীদের পরিস্থিতি ভয়াবহ৷

‘দ্যা পিম্পিং অফ প্রস্টিটিউশন: অ্যাবোলিশিং দ্য সেক্স ওয়ার্ক মিথ’ বইটিতে লেখিকা জুলি বিন্দেল পল্লীর অন্ধকারের দিকটি তুলে ধরেছেন৷ কিভাবে চলে অকথ্য অত্যাচার৷ সেই বিষয়টি নিয়েই বিস্তারিত তুলে ধরেছেন তিনি এই বইটিতে৷

২০১৬সালের একটি সত্য ঘটনা তিনি এই বইটিতে তুলে ধরেছেন৷ যেখানে নিউজিল্যান্ডের এক কর্মী তার ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন৷ এই পেশায় তাকে রীতিমতন প্রাণনাশের হুমকি দিত কাস্টমাররা৷ এমনকি তার গোপনাঙ্গে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল একটি বোতল৷ যন্ত্রনায় চিৎকার করতেই তীরবেগে ছুটে এল হুমকি৷

পুলিশে অভিযোগ জানালেও পাওয়া যায়নি কোনওরকম সাহায্য, এমনটাই জানালেন কর্মী নিকি৷ অবেশেষে, নিজেকে রক্ষা করার জন্য সঙ্গে বন্দুক রাখতেন তিনি৷ এমন কথাই অকপটে স্বীকার করে নিলেন তিনি৷

প্রসঙ্গত, বিশ্বের সবথেকে পুরোনো পেশা এটি৷ কিন্তু সেই পেশাই আজ কর্মীদের জীবন ভয়াবহ করে তুলছে৷ প্রতি মুহূর্তে হুমকির সম্মুখীন হতে হচ্ছে৷ যৌনতার নামে চলছে রীতিমতন ধর্ষণ৷ আর তাতে সম্মতি না জানালেই কর্মীরা পাচ্ছেন প্রাণনাশের হুমকি৷

বিশ্বজুড়ে হাজার হাজার নারী এই পেশার মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন৷ কিন্তু সেই পেশাই আজ তাদের জীবনকে সংকটপূর্ণ করে তুলছে৷ কেউ কেউ জানাচ্ছেন, টাকার বিনিময়ে যেন যৌনকর্মীদের নিজের সম্পত্তি করে তুলেছেন এরা৷ যৌনতার নামে চলছে অকথ্য অত্যাচার৷