মিলনে স্থায়ীত্ব বাড়াতে চান? জেনে নিন কি খাবেন- অনেক খাবার রয়েছে যা শারীরিক শক্তি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। সেরকম কিছু খাবারের নাম নিচে উল্লেখ করা হল:

১.দারুচিনি: স্বল্প সময়ে যৌন শক্তি বৃদ্ধি করার জন্য দারুচিনির গুরুত্ব অপরিসীম এবং এটি সবার কাছে সুপরিচিত। বিশেষ করে পুরুষের যৌন দূর্বলতা দূর করে যৌন শক্তি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে।

বিছানায় যাওয়ার আগে দুই এক টুকরা দারুচিনি আপনার চা কিংবা কফিতে মিশিয়ে খেতে পারেন, তাতে কম সময়ের মধ্যে ফলাফল আসবে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করেন। এর কোন অপকারিতা নেই।

২. মিষ্টি কুমড়া: আজকাল বাজারে সচরাচর পাওয়া যায়। গবেষনায় বলা আছে যে, শরৎকালের মিষ্টি কুমড়া শুকিয়ে তা দিয়ে এক জাতীয় মশলা তৈরি করে খেলে শারীরিক সম্পর্কের স্থায়িত্ব ও কামোদ্দীপনা বৃদ্ধি পায়। কুমড়া দিয়ে তৈরি মশলার ঘ্রাণে পুরুষ কিংবা নারীর যৌন আকর্ষন বৃদ্ধি পায়।

৩.ডুমুর জাতীয় ফল: এ ফল শুধু কামোদ্দীপনা বৃদ্ধি করে তা নয় বরং এটি অনেকেরই প্রিয় ফল। এটি দীর্ঘস্থায়ী মিলনে বিশেষ ভুমিকা পালন করে। যৌন দুর্বলতা, অস্তষ্টি, স্থায়িত্ব সমস্যাসহ নানান শারীরিক সমস্যা দূর করে এবং শক্তি বৃ্দ্ধিতে ব্যপক ভুমিকা পালন করে।

৪.চকোলেট: এটি বাচ্চাদের প্রিয় খাবার হলেও রোমান্টিক খাবার হিসেবে এটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এটি যে শুধু রোগ প্রতিরোধ করে তা নয় এতে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট নামক উপাদান আছে যা হৃদয়কে সতেজ রাখে।

মানুষ প্রেমে পড়ার সময় যে বিশেষ অনুভূতি অনুভব করে তা সুস্বাদু চকোলেট খেলে অনেকটা পাওয়া যায়। তাছাড়া মেয়েরা চকোলেট খেতে খুবই পছন্দ করে।

নারীর কি পুরুষের মতো বীর্যপাত হয় ? জেনে নিন

নারীর যোনিমুখের দু’পাশে বিশেষ গ্রনথি আছে । কামোত্তেজনার সময় এই গ্রনথি থেকে এক রকম তরল রস নির্গত হয়, যা কিনা সারা যোনি-মুখকে ভিজিয়ে পিচ্ছিল করে দেয়, এর ফলে পুরুষের লিঙ্গ তার গভীরে প্রবিষ্ট করতে সুবিধে হয় ।তরে বাইরে থেকে এই গ্রনথি দৃশ্যতনয়, চামড়ার আড়ালে ঢাকা থাকে ।

কিন্তু যোনিমুখে রস নিঃসরণ সরাসরি চোখে দেখা যায় । সবসময় এই রস নিঃসৃত হয় না । কেবল যখনপ্রবল কামোত্তেজনা সূষ্টি হয়- তখনি বার্থোলিন গ্রনথি এই রস সৃষ্টি করে । নারীর এই কামরসের মতো পুরুষের কামোত্তেজনার প্রথম অবস্হায় এক ধরনের তরল রস নিঃসরন হয় । অনেকের ভুল ধারনা আছে, সেই রসের মধ্যে শুত্রূবীজানু থাকে । আসলে তাদের সেই ধারনা ভুল । সেই রসে কোন শুত্রূবীজানু থাকে না ।

আবার নারীদেহের এই কামরসের সঙ্গেডিমবোকোষের কোন সস্পর্ক নেই । তবে একে যে অন্যের সহায়ক এ কথা বলা নিস্পয়োজন । অনেকেই বলে থাকেন, রতিক্রিয়া শেষে পুরুষের মতো কি নারীর যোনি থেকেও বীর্যপাত ঘটে ? এক কথায় এর জবাব হল’না ।’ মেয়েদের কোনো বীর্যপাত হয় না ।
তাদের বীর্য হলো ডিমবোকোষ ।

তবে মানুষের মনে এ কথা জাগার কারনহলো, যৌন-মিলনের ইচ্ছা জাগলে কিংবা মিলনে প্রবৃত্ত হলে,বিশেষ করে পুরুষের লিঙ্গ সঞ্চারনের ফলেতাদের যোনিপথে যে কামরস নিঃসৃত হয়, অনেকেই ভুল করে সেই রসকে বীর্য বা শুক্র বলে ধরে নেয় । আর এধরনের রস-নিঃসরন পুরুষের লিঙ্গ-নালী থেকেও বেরিয়ে থাকে । নারী-দেহে এই রস ক্ষরন রতি উত্তেজনা থাকা পর্যন্ত কম বেশী বর্তমান থাকতে দেখা যায় ।