এককালে স্বামীর মৃতু্যর পর কমবয়সী বিধবাদের সহমরণে যাবার জন্য চাপ দেওয়া হত*, না হয় তাঁদের পাঠিয়ে দেওয়া হত বাপের বাড়িতে। পতিগৃহে সাধারণভাবে তাঁদের স্থান ছিল না। সিঁথির সিঁদুর মুছে, দেহের সব অলঙ্কার খুলে ফেলে, চুল কেটে, সাদা থান পরে, এক বেলা নিরামিষ খেয়ে অনশন-ক্লিষ্ট অবস্থায় তাঁদের বৈধব্য পালন করতে হত।

পাছে বিধবা নারীর যৌবন, দীর্ঘ কেশ ও রঙিন শাড়ী-গয়নায় পুরুষরা আকৃষ্ট হয় - তাই এই ব্যবস্থা। বিধবা নারীর নিজের মধ্যেও যেন কামনার উদ্রেক না হয়, তারজন্য শুধু আমিষ বর্জন নয়, অনেক জায়গাতে মুসুর ডাল, পেঁয়াজ, রসুন ইত্যাদি খাওয়ার ব্যাপারেও বাধানিষেধ ছিল, কারণ এগুলি এবং আমিষকে মনে করা হত কামোত্তেজক খাদ্য! বাপের বাড়িতে ভাইদের সংসারেও বিধবাদের স্থান উচ্চে ছিল না।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন