বাংলাদেশের টেকনাফ থেকে নাফ নদী পার হলেই মিয়ানমারের মংডু। আরাকানের উত্তরের এই অঞ্চলেই রোহিঙ্গাদের বাস। অন্যদিকে, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের উভয় দেশভুক্ত গ্রাম তুম্বরু।
তুম্বরু দু'ভাগ হয়ে বসেছে সীমান্ত পিলার ও কাঁটাতারের বেড়া। তারপরই নো-ম্যানস ল্যান্ড বা জিরো পয়েন্টের বাংলাদেশ অংশ। এ দুই দিক থেকেই হাজার হাজার রোহিঙ্গারা ঢুকছে বাংলাদেশে। উভয় দেশের সীমান্তরক্ষীর পাহাড়ায় তারা সেখানেই আটকে পড়ে মানবতার জীবন-যাপন করছেন।
দুই থেকে ১২ দিনের দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আসা ক্লান্ত-পরিশ্রান্ত রোহিঙ্গারা খোলা আকাশের নিচে রোদ-বৃষ্টিতে, ক্ষুধা-তৃষ্ণায় চরম মানবতার জীবন কাটাচ্ছেন তারা। জ্বর, ডায়েরিয়াসহ নানা অসুখে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে। রয়েছে চরম দুর্ভোগে। খাদ্য ও পানীয় সংকটে ক্ষুধার্ত-তৃষ্ণার্ত মানুষের কান্নাকাটি, বিলাপ, কাড়াকাড়িতে ভারি হয়ে উঠেছে সেখানকার পরিবেশ। ছোট্ট পাহাড়ি ঝিরি তুম্বরু খালের পাড়ে দিন দিন মৃত্যুর তাড়া খাওয়ায় নিঃস্ব মানুষের সংখ্যা বাড়ায় সংকট তীব্র আকার ধারণ করছে। ত্রাণ ও চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা না পৌঁছানোয় সৃষ্টি হয়েছে অমানবিক পরিস্থিতি। আজ তাদের দেশ বলে কিছু নেই। জাতিসংঘ হতে তাদের নাম দেয়া হয়েছে জগতের সবচেয়ে নির্যাতিত জনগোষ্ঠী হিসাবে। কিন্তু কেন? আসলে এই রোহিঙ্গারা কারা বা কী তাদের পরিচয়? মিয়ানমারে কেনই বা তাদের এত সংকট? পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হল।




