কোথায় বাস করছি আমরা? প্রতিদিন অগুণতি মামলা হয় নারী নির্যাতনের, যার সিংহভাগ আবার ধর্ষণজনিত। কিন্তু প্রায় অধিকাংশ মামলাই শেষ পরিণতি পায় না। বলা হয় এসবের অধিকাংশ মামলা হয় কাউকে না কাউকে বিশেষ করে প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করার জন্য? এ কেমন হাতিয়ার?
অবাধ যুগ অতিক্রম করেও আমরা বন্য জানোয়ারের মতো হামলে পড়ছি কেন? পত্রিকার পাতায় পাতায় ধর্ষণের মহামারিতে অতিষ্ঠ আমরা।
গ্রামের এক যুবকের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে গর্ভবতী হয়ে পড়ে তরুণী (১৭)। এরপরই তাকে পরিত্যাগ করে প্রেমিক। লোকলজ্জায় মেয়েকে বাড়ি থেকে বার করে দেয় পরিবারও। এরপর রাস্তাতেই ঠাঁই হয় তার।
গত ২১ অগাস্ট প্রসববেদনা শুরু হয় তরুণীর। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে ফিরিয়ে দেন সেখানকার কর্মীরা। পরদিন সকাল ৫টায় একরকম বাধ্য হয়ে রাস্তাতেই সন্তানের প্রসব করে সে।
ভারতের ঝাড়খণ্ডের সরাইকেলা-খারসাওয়ান জেলার ঘটনা।
জানা যায়, প্রসবের বেশ কিছুক্ষণ পরও রক্ত মাখা অবস্থায় রাস্তায় পড়ে ছিল মা ও সন্তান। তখনও কাটা হয়নি নাড়ি। দুজনকে দুর্ঘটনার হাত থেকে বাঁচাতে চার দিক থেকে ইঁট দিয়ে ঘিরে দেন একজন।
হাসপাতালের সামনেই এই কাণ্ড ঘটলেও চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন, অভিভাবক না থাকায় ভর্তি নেওয়া যাবে না ওই মহিলাকে। এরপর স্থানীয়রা হাসপাতালে গিয়ে আর্জি জানালে ওই তরুণীকে ভর্তি নেওয়া হয়। নিজেদের ভুল স্বীকার করেছেন নার্সরা।
ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।





