একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দায়িত্ব পেয়ে প্রথম দিন অফিসে যাওয়ার পথে হেলমেট ছাড়া বাইক ব্যবহার নিয়ে তথ্য ও প্রযু্ক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেছেন, ‘ওইদিন সকালে আমরা ধানমন্ডির ৩২ নম্বারে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা সকলে ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে স্মৃতি সৌধে যাই। সেখান থেকে ফেরার সময়, আমাদের মাননীয় মন্ত্রী মহাদয়ের লক্ষ্য ছিল আমরা প্রথম দিন থেকে অফিস করব। যদিও প্রধানমন্ত্রী আমাকে দ্বিতীয়বার একই মন্ত্রণালয়ে একই দায়িত্ব দিয়েছেন। এর জন্য দেশরত্ন শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং এই আস্থা এবং বিশ্বাসের অপব্যবহার যেন না হয়, তার জন্যই আমি সংসদ ভবনে বাস থেকে নেমে অফিসে রওনা করি।’

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন টকশো অনুষ্ঠানে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেন, ‘আগারগাঁওয়ে তো মেট্রো রেলের কাজ চলছে। আমি রওনা দেওয়ার পথে সেখানে আসলে অনেক ট্রাফিক জ্যাম থাকায় ওখানেই গাড়িটা আটকে যায়। এরপর আমি গাড়ি থেকে নেমে হেটে যাচ্ছিলাম, হেটে যাওয়ার পথে তখন একজন মোটরসাইকেল নিয়ে আসে আমার কাছে দাঁড় করে জিজ্ঞাসা করল, কোথায় যাবেন স্যার? আমি বললাম আমার অফিস তো সামনে, ওখানেই যাব। ওনি বলেননি, ওনি একজন আনসার সদস্য, ওনার নাম মামুন, বাড়ি সাতক্ষীরা। তখন ওনি বললেন, আমিও তো আগারগাঁওয়ে আনসার ক্যাম্পে যাব। তাহলে আপনাকে অফিসে নামিয়ে দিয়ে আমি ক্যাম্পে যাই। এটাই হচ্ছে ফ্যাক্ট। সেখানেই আমি ওঠে বসি এবং অফিসে গিয়ে নামি, তার সাথে মাঝপথ থেকে যাই আরকি।’

সোস্যাল মিডিয়ায় তার এমন পোস্ট বিতর্কিত হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে পলক বলেন, জনগণের এ বিষয়গুলো আমরা খেয়াল রাখি বলেই আমি গিয়েছি। সেখান থেকে আরোহী হিসেবে হেলমেট ছাড়া গিয়েছি এটা আমার ভুল হয়েছে, এজন্য আমি ক্ষমা প্রার্থনা করেছি।

তিনি আরও বলেন, আমার অফিস থেকে আবার যখন ধানমন্ডি ৩২ নম্বারে আরেকটা মিটিংয়ে যাই, সে সময় কিন্ত যাওয়ার পথে একই ঘটনা সম্মুখীন হতে হয়েছে। আমি যে গাড়িতে আসছিলাম অফিসে সেই গাড়িতেই হেলমেট ছিল এবং হেলমেট পরেই মিটিংয়ে গিয়েছি। আর এখানেই মূলত ভুল বোঝাবুঝিটা হয়েছে।

তথ্য ও প্রযুক্তি খাতে ২০১৯ সালে দাঁড়িয়ে নেতৃত্বে দিতে কতটুকু সক্ষম এমন প্রশ্নের জবাবে জুনায়েদ আহমেদ পলকে বলেন, অনেক খানি সক্ষম। এখানে বেশ কিছুটা উদ্ভাবন হয়েছে। এটা বাংলাদেশে হয়েছে কিন্ত বিশ্বের অন্য কোথাও হয়নি। এর সব থেকে বড় উদাহরণ হলো আমাদের দেশব্যাপী ডিজিটাল সেন্টার।