সম্প্রতি ‘ভোট দেয়াকে কেন্দ্র করে’ নোয়াখালীতে যে ধর্ষনের ঘটনা ঘটেছে সে বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
বুধবার (২ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকার এ বিষয়ে কঠোর অবস্থানে আছে। আমি এটা নিয়ে পুলিশের আইজির সঙ্গে কথা বলেছি। স্থানীয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
নতুন মন্ত্রী সভার গঠন নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, এটা একেবারেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজস্ব সিদ্ধান্তের বিষয়। তাই এটা তিনি দেখবেন। মন্ত্রিসভার বিষয়ে এ জবাবটা আমি দিতে পারছি না। এসব বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে ১০ তারিখের মধ্যে সব হয়ে যাবে।
মন্ত্রী সভার আকার বড় হবে কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিশাল বিজয়ের সঙ্গে বিশাল প্রত্যাশা জড়িত। এখন সেটা বলা যাবে না। মন্ত্রিসভা বড় হবে নাকি ছোট থাকবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। এটা প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। আমাদের চ্যালেঞ্জ হবে ইশতেহারে যে বিষয়গুলো বলা হয়েছে সেগুলো পূরণ করা। প্রধানমন্ত্রী যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সেগুলো বাস্তবায়নই হবে আমাদের বড় কাজ।
বিরোধীদল কারা হবে? এমন প্রশ্নর জবাবে তিনি বলেন, অপজিশনতো আছেই। তারাতো (জাতীয় পার্টি) আছেন। গতবার ছিল ঐকমত্যের সরকার। তবে এবারও ঐক্যফ্রন্টের সাতজন আছেন। তারা বলেছে শপথ নেবেন না। তাদের মধ্যে আবার দুইজন গণফোরামের আছে। কাজেই তারা কি সিদ্ধান্ত নেন সেটা বিবেচনার বিষয়।
জাতীয় পাটিং বলেছে তারা সরকারে থাকবে না। তাহলে কিভাবে এবার ঐকমত্যের সরকার হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা নিয়ে আলোচনার বিষয় আছে। এখনই কিছু পরিস্কার করে বলা যাবে না।
ঐক্যফ্রন্টের বিজয়ীদের শপথ নেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, জনগণ তাদেরকে বিজয়ী করেছে, তাদের উচিত জনগণের রায়কে সম্মান করা। যারা নির্বাচিত হয়েছে তারা শপথ নেবেন না এটা জনগণের রায়কে অসম্মান করা। সাতজনও তো ভাল ভূমিকা রাখতে পারে সংসদে।





