বিএনপির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে অবিলম্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ভেঙে দেয়ার দাবি জানিয়েছেন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী বিএনপির প্রার্থী মেজর (অব.) মো. আখতারুজ্জামান। একই সঙ্গে বিএনপির সব সিনিয়র নেতাদের রাজনীতি থেকে অবসর নেয়ার আহ্বান জানান তিনি। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
আজ মঙ্গলবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে ফেসবুকে নিজের আইডিতে এক স্ট্যাটাসে তিনি এ আহ্বান জানান। পাঠকদের উদ্দেশ্য মো. আখতারুজ্জামানের স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হল-!
আল্লাহর ওয়াস্তে এই অপকর্মটি করবেন না- জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের কাছে আমাদের বিনিত নিবেদন। আইন বা বিচার বিভাগও যে সরকারের শক্ত নিয়ন্ত্রনে তা যদি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা না বুজেন তাহলে এও জাতীর আরেকটি দুর্ভাগ্য। যা হবার হয়ে গেছে। আপাদত তা পরিবর্তন করার বুদ্ধি বা ক্ষমতা কোনটাই আমাদের নাই। এটি চরম বাস্তবতা। ভারত ও চীন সহ অনেক রাষ্ট্র প্রধানেরা বাংলাদেশের নির্বাচন মেনে নিয়েছে।
অন্যেরাও ধানাই পানাই করে মেনে নিবে। আপনারা অযথা বাগারম্ভর করে বিএনপির নেতাকর্মীদের জীবন দুর্বিসহ করে দিয়েন না। এমনিতেই দলের ১০০% ভাগ নেতাকর্মী জেল জুলুমের শিকার। আর আপনাদের নেতাগিরি দেখাতে গিয়ে বিএনপির অস্থিত্ব বিলুপ্ত করে দিয়েন না। তাই জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের কাছে বিনিত দাবী: ১। বিনাবাক্যে ও শর্তে নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিন! ২। অবিলম্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ভেঙ্গে দিন।
৩। সকল সিনিয়র নেতারা রাজনীতি থেকে অবসর নিন। ৪। আগামী ১ বছরের জন্য সকল প্রকার রাজনৈতিক তৎপরতা স্বেচ্ছায় বন্ধ করে দিন।
৫। নির্বাচন উত্তর সকল তৎপরতা স্থগিত করেন। ৬। এক বছর পরে নতুন করে রাজনৈতিক শক্তি সংগঠিত করার এবং পরবর্তি নির্বচনের জন্য নতুন যোগ্য নেতৃত্ব সৃষ্টির সুযোগ দিন। ৭। দেশে ইতিবাচক রাজনৈতিক ধারা সৃষ্টিতে সবাই সহযোগিতা করুন।
বিনিত: মেজর অব মো আখতারুজ্জামান। একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী।” প্রসঙ্গত, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন মেজর (অব.) মো. আখতারুজ্জামান। তবে নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কাছে হেরে যান।
আওয়ামী লীগের নূর মোহাম্মদ ৩ লাখ ৭৭৬ ভোট জয় লাভ করেন। আর আখতারুজ্জমান ৫৪ হাজার ৫০ ভোট পান।





