চাকরির প্রলোভন দিয়ে কিশোরীদের দিয়ে দেহব্যবসা করানোর চেষ্টার অভিযোগে ছাত্রলীগের এক নেতাসহ তিনজনকে আটক করেছে পলাশ থানা পুলিশ। গত শুক্রবার রাতে নরসিংদীর পলাশে ভুক্তভোগী এক কিশোরী থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ তাদের আটক করে। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আটককৃতরা হলেন, ঘোড়াশাল পৌর ছাত্রলীগের উপ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক কাউছার হামিদ, রোকেয়া বেগম ও তার স্বামী সাব্বির হোসেন। এ ঘটনায় পুলিশ আটককৃতদের পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আটককৃতরা দীর্ঘদিন ধরে ঘোড়াশাল পৌর এলাকায় বিভিন্ন অসহায় কিশোরীদের কাজের কথা বলে তাদের বিভিন্ন কায়দায় ব্লাকমেইল করে দেহব্যবসায় বাধ্য করে আসছে। তাদের কথামত দেহব্যবসায় জড়িত না হলে তারা বিভিন্ন সময় কিশোরীদের মারধর ও অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে নানা ভাবে হয়রানি করে থাকত। এরই ধারাবাহিকতায় ওই কিশোরীকে চাকরি দেয়ার কথা বলে তাকে বন্ধি করে দেহব্যবসা করার কথা বলে ছাত্রলীগ নেতা কাউছার ও তার সহযোগীরা। দেহব্যবসায় রাজি না হলে তারা ওই কিশোরীকে মারধর শুরু করে। পরে তার আত্মচিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে আসলে তারা পালিয়ে যায়। এঘটনায় ওই কিশোরী থানায় মামলা দিলে পুলিশ তাদের আটক করে। পলাশ থানার এসআই মীর সোহেল রানা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পলাশ থানার ওসি মকবুল হোসেন মোল্লা জানান, আটককৃত কাউছার বিভিন্ন সময় এলাকার অসহায় মেয়েদের ভয়-ভীতি দেখিয়ে অসামাজিক কাজ-কর্মে জড়িত হতে বাধ্য করত। কাউছারের মোবাইল ফোনে একাধিক নারী ও পুরুষের অসামাজিক কাজের ছবি ও ভিডিও পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।