গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট আইনজীবী, রাজনীতিবিদ এবং মুক্তিযোদ্ধা। সচরাচর তাঁকে “ডঃ কামাল হোসেন” হিসাবে উল্লেখ করা হয়। তিনি বাংলাদেশের সংবিধান প্রণেতাদের মধ্যে অন্যতম। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর ১৯৭২-এর ৮ই জানুয়ারি শেখ মুজিবের সঙ্গে তাঁকেও মুক্তি দেয়া হয়। তিনি শেখ মুজিবের সঙ্গে ১০ জানুয়ারি লন্ডন হয়ে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তিনি সর্বদাই সোচ্চার।

রোববার বিকেল জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয় ঐক্যের এক মানববন্ধনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের মালিক হল জনগণ। জনগণের ক্ষমতা যদি জনগণের হাতে না থাকে তাহলে পাইকারি হারে লুট হয়। আজকে দেশে সেই কাজটাই হচ্ছে।

তাই মালিকের ভূমিকা আপনাদের রাখতে হবে। অতীতে প্রত্যেকবার আমরা আন্দোলনে সফল হয়েছি। এবারও ইনশাআল্লাহ সফল হব। এর জন্য জনগণের ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে। নারী পুরুষ সবাই মিলে ঐক্য তৈরি করতে হবে।

সংসদ ভেঙে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচনসহ পাঁচ দফা দাবিতে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

ড. কামাল বলেন, আজকের এই মানববন্ধনে আপনাদের উপস্থিতি প্রমাণ করছে আপনারা হারে হারে টের পাচ্ছেন বাংলাদেশে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কত প্রয়োজন। এই নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি আন্দোলনের মাধ্যমে আদায় করতে হবে।

গণতান্ত্রিকভাবে আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায় করতে হবে। কারণ জনগণের মূল্যবান কোন দাবি আদায় করতে হলে ঐক্যবদ্ধ হতে হয়। এটা অসম্ভব কিছু না।