সরকার আইন প্রণয়ন করে বাল্য বিবাহ নিষিদ্ধ করলেও কিছু অসাধু ব্যাক্তিদের কারনে বাল্যবিবাহের প্রবণতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমান সমাজ ব্যবস্থায় কিছু কিছু পরিবারে জনসচেতনতার অভাবে কিংবা যৌতুকের লোভে অপ্রাপ্ত বয়স্ক কিশোরীদের বাল্যবিবাহে বাধ্য করে সাংসারিক জীবনে প্রবেশের সুযোগ দিয়ে জীবন নষ্ট করে দেয়া হচ্ছে। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
ফলে বিয়ের পর বছর ঘুরতে না ঘুরতেই ঐ সমস্ত অপ্রাপ্ত বিবাহিত কিশোরীরা নানান জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে অকালে মৃত্যুমুখে পতিত হচ্ছে। এ বিষয়ে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন বিভিন্ন সময় জনসচেতনতা মূলক সভা সেমিনার করলেও তা কেবলই কাগজে কলমে সীমাবদ্ধ থাকে এবং কিছু কিছু পরিবারের যৌতুকলোভী অভিভাবকরা নিজ ইউনিয়ন পরিষদের কিছু র্দূনীতিবাজ ইউপি সদস্যদের টাকার মাধ্যমে ম্যানেজ করেই জন্মসনদ দিয়ে মূলত এই ধরনের বাল্যবিবাহ প্রতিনিয়ত সংঘটিত হতে চলেছে।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে কিশোরী মেয়ের জন্ম নিবন্ধন জাল করে বাল্যবিয়ে দেয়ার চেষ্টা করায় সাহাব উদ্দিন (৪০) নামে কনের বাবাকে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। রোববার (০৭ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে এ সাজা দেন দৌলতপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাহাঙ্গীর আলম।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে কিশোরী মেয়ের জন্ম নিবন্ধন জাল করে বাল্য বিয়ে দেয়ার চেষ্টার অভিযোগে মেয়েটির বাবা সাহাব উদ্দিনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত। রোববার দুপুর ২টার দিকে এ দণ্ড দেন ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক ও দৌলতপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাহাঙ্গীর আলম।
ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক ও দৌলতপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, উপস্থিত সাক্ষীদের সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে সরকারি আদেশ অমান্য করার অপরাধে সাহাব উদ্দিনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। দণ্ডিত সাহাব উদ্দিন একই গ্রামের মৃত নকিম উদ্দিন মালিথার ছেলে।
ভ্রাম্যমান আদালত সূত্র জানায়, উপজেলার মথুরাপুর গ্রামের সাহাব উদ্দিন তার কিশোরী মেয়ে সম্পা খাতুনের (১৫) জন্ম নিবন্ধন জাল করে বিয়ের আয়োজন করেন।
বাল্য বিবাহের খবর পেয়ে দৌলতপুর মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রুবি আক্তারের নেতৃত্বে পুলিশ মথুরাপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে বাল্য বিবাহ বন্ধ করে দেন। এ সময় মেয়ের বাবা সাহাব উদ্দিনকে আটক করে ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির করেন।





