বর্তমানে খুবই খারাপ একটা সময় পার করছে বিএনপি। আর এর প্রধান কারনে দলের চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জেল। তার ওপর আবার অসুস্থ রয়েছেন তিনি। তবে দির দিন তাকে হাসপাতালে নেয়ার চেষ্টা করলেও তিনি রাজি হন নি। তবে অবশেষে তাকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বিএসএমএমইউ তে। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্যদের সাক্ষাৎ হয়নি বলে জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) কর্তৃপক্ষ।
রবিবার দুপুরে বিএসএমএমইউয়ের কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলন করে এ কথা বলেন বিএসএমএমইউ’র পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহ আল হারুন।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার ব্যবস্থাপত্র দেখে মেডিকেল বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নতুন করে পরীক্ষা না হওয়া পর্যন্ত আগের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী চিকিৎসা চলবে।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছর কারাদণ্ড পেয়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাগারে বন্দি রয়েছেন খালেদা জিয়া। এর মধ্যে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলাসহ আরও বেশ কটি মামলায় তার বিচারকার্য চলছে। খালেদা জিয়া অসুস্থ দাবি করে বারবার বিএনপির পক্ষ থেকে তার বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা দাবি করা হচ্ছে।
খালেদার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য একটি বিশেষ বোর্ড গঠন করার নির্দেশনাসহ তার চিকিৎসা সেবা সংক্রান্ত যাবতীয় নথিপত্র দাখিলের নির্দেশনা চেয়ে গত ৯ সেপ্টেম্বর একটি রিট করা হয়।
আদালতের নির্দেশনায় বলা হয়, খালেদার চিকিৎসায় গত সেপ্টেম্বরে সরকার যে মেডিকেল গঠন করে দিয়েছিল, তার তিন সদস্যকে বাদ দিয়ে নতুন তিনজনকে সেখানে যুক্ত করতে হবে। এবং তাদের কেউই কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের স্বাচিপ ও ড্যাবের বর্তমান বা অতীত সদস্য সমর্থক হতে পারবেন না।
ওই তিনজন ছাড়া অন্য দুই জনের নামও উল্লেখ করে দেন আদালত। তারা হচ্ছেন, বিএসএমএমইউ-এর ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল জলিল চৌধুরী এবং ফিজিকাল মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক বদরুন্নেসা আহমেদ।
খালেদা জিয়া তার পছন্দমতো ফিজিওথেরাপিস্ট, গাইনোকলজিস্ট ও টেকনিশিয়ান নিতে পারবেন বলেও জানান আদালত। আর পাঁচ সদস্যের গঠিত বোর্ডের অনুমতি সাপেক্ষে বাইরে থেকে পছন্দমত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আনতে পারবেন।





