ধর্ষণ যা কিনা সমাজের মাঝে এক অভিশাপ হিসেবে প্রকাশ পেয়েছে। এখন প্রায়ই দেখা যায় নিকৃষ্ট এই ঘটনার ঘটন। এখন শিশু থেকে বৃদ্ধা কোন নারীই যেন সমাজে সুরক্ষিত নয়। এখন সমাজে নারীর চলাচল করাই যেন বিপজ্জনক হয়ে গেছে। তবে এবার ঘটেছে একটু ভিন্ন ঘটনা। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার মদনা গ্রামে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ঘরে ঢুকে ধর্ষণ করতে গিয়ে লিঙ্গ হারালেন আরিফুল ইসলাম (৩৫) নামের এক যুবক। বৃহস্পতিবার (৪ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটেছে। জানা গেছে, আরিফুল ইসলাম উপজেলার মদনা গ্রামের আব্দুল আলিমের পুত্র।

এ ঘটনায় শুক্রবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে দামুড়হুদা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় দামুড়হুদা উপজেলার মদনা গ্রামের এক প্রবাসীর স্ত্রী (২৮) ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। ওই গৃহবধূ বাড়িতে একা থাকার সুযোগে একই গ্রামের আব্দুল আলিমের ছেলে লম্পট আরিফুল তার ঘরের দরজায় করা নাড়ে। এ সময় ওই প্রবাসীর স্ত্রী কিছু না বুঝে ওঠার আগেই ঘরের দরজা খুলতেই ঘরে ঢুকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণে চেষ্টা চালায় বখাটে আরিফুল ইসলাম।

সে সময় ওই গৃহবধূ নিজের সম্মান বাঁচাতে চিৎকার করে প্রতিবেশীদের কে ডাকতে থাকে। পরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে ঘরের ভিতর থাকা বটি দিয়ে আরিফুলের গোপনাঙ্গে কোপ মারেন ওই নারী। এতে আরিফুলের লিঙ্গ দিয়ে রক্ত ঝরতে থাকে। মারাত্মকভাবে রক্তাক্ত যখম হন তিনি।

চাঞ্জল্যকর এ ঘটনার পর এলাকাবাসীরা আরিফুলকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাদী হয়ে দামুড়হুদা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের দায়ের করেছেন। এ বিষয়ে দামুড়হুদা থানার ওসি সুকুমার বিশ্বাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।