অন্ডকোষ বা ঝুলে যাওয়া একদমই স্বাভাবিক একটি ব্যাপার। এটা অাবহাওয়ার তাপমাত্রার উপর সবচেয়ে বেশি নির্ভর করে। কারণ শুক্রাণু সুস্থ ও সবল রাখতে দেহের নির্দিষ্ট তাপমাত্রা মেইনটেন করতে হয়। এশিয়া মহাদেশের বেশির ভাগ দেশেই তাপমাত্রা বছরের অধিকাংশ সময়ই বেশি হওয়ায় এই অঞ্চলে ঘটনাটি স্বাভাবিক। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

২/১ মিনিটে ইজাকুলেশন মোটামুটি স্বাভাবিক। ৩০ সেকেন্ডের কম হলে তবেই সেটাকে প্রি ম্যাচিউর ইজাকুলেশন বলে।যার কারণ মূলত জৈবিক ও মানসিক। আর বদঅভ্যাসটি ত্যাগ করুন। সবদিকথেকেই উন্নতি লাভ করবেন।উত্তরঃ কিছু কিছু ইসলামি চিন্তাবিদের মতে এটা মাকরূহ, কারণ গোপনাঙ্গ চোষন বা গোপনাঙ্গ চোষা এর মাধ্যমে স্বামীর গোপনাঙ্গ থেকে স্ত্রীর মুখে বা স্ত্রীর গোপনাঙ্গ থেকে স্বামীর মুখে নাপাক তরল যাওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয় । অন্যান্য ইসলামি চিন্তাবিদরা জোর দিয়ে বলেছেন গোপনাঙ্গ চোষন বা গোপনাঙ্গ চোষা নিষিদ্ধ বলা যায় এমন দলিল কোথাও পাওয়া যায়নি।

স্বামী অথবা স্ত্রীর গোপনাঙ্গ মানব দেহের অন্য অঙ্গের মতই বিবেচনা করা হয় (যেমন স্তন অথবা ঠোট)। অন্যদিকে মুখ হচ্ছে শরীরের সর্বাপেক্ষা পবিত্র অঙ্গ। তাই ইসলামিক চিন্তাবিদগন সতর্ক করে দিয়েছেন কোন ভাবেই মনি অথবা মজি (প্রাক-মিলন-তরল) যেন মুখের ভিতর না যায়। এ তরল মুখে যাবার সম্ভাবনা প্রচুর। তাই এই গোপনাঙ্গ চোষা গোপনাঙ্গ চোষন ক্রিয়াকে মাকরুহ্ বলেছেন অনেকে। রাতে যখন নারী ভালোবাসার পরিপূর্ণ স্বাদ নিতে চান তখন পুরুষ ঘুমে ঢুলতে থাকে। গবেষকরা জানিয়েছেন, এর কারণ হলো নারী ও পুরুষের হরমোনের পার্থক্য। আর এ পার্থক্যের কারণেই উভয়ের দেহঘড়ি একত্রে চলে না। গবেষকরা এক্ষেত্রে কয়েকটি সময়ের বর্ণনা করেছেন, যে সময়ে নারী-পুরুষের হরমোনের পার্থক্য লক্ষ্যণীয়।