এই ঘটনাটি ঘটে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার রিপন স্ট্রিটে। সুত্র জানায়, বন্ধুর বাবা জুলফিকার মেয়েটিকে শিয়ালদহ স্টেশন থেকে ট্রেনে করে নিয়ে গিয়েছিলেন ।অতপর ঐ ব্যক্তি মেয়েটিকে ট্রেনের ফাঁকা কামরায় কোলে বসিয়ে খারাপ কাজ করেছিলেন। চিৎকার করতে চাইলে মেরে ফেলার হুমকি দিত। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

শিশু নির্যাতনের এ ঘটনায় অভিযুক্ত জুলফিকার আলিকে গ্রেফতার করা হয়েছ।শুক্রবার সকালে রিপন স্ট্রিটে জুলফিকারের এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তার নিজের বাড়ি তালতলা লেনে। খবর আনন্দবাজারপত্রিকা অনলাইনের।

জানা যায়, গত সোমবার রিপন স্ট্রিটে একটি শিশু পাড়ার দোকানে মোবাইলের রিচার্জ কার্ড কিনতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়। সন্ধ্যায় তাকে বৌবাজার এলাকা থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।

ওই শিশুকন্যা পুলিশকে জানায়, পাড়ার এক বন্ধুর বাবা তাকে রাস্তা থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে ট্রেনে ও বাসে চেপে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরিয়ে তাকে ফেলে দিয়ে যায়।

শিশুটি জানায়, শিয়ালদহ স্টেশন থেকে ট্রেনে করে তাকে কোথাও একটা নিয়ে গিয়েছিল ওই ব্যক্তি। ট্রেনের ফাঁকা কামরায় তাকে কোলে বসিয়ে ওই ব্যক্তি তার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয় এবং অশালীন আচরণ করেন।

পুলিশি সূত্রের খবর, গ্রেফতার জুলফিকারের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিকবার শিশু নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে।

কিন্তু বেশ কয়েক বার তিনি রেহাই পেয়ে যান নিগৃহীত শিশুদের পরিবার অভিযোগ দায়ের না করায়।

বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই মেয়েকে ফেরত পেয়ে যাওয়ায় পরিবার অভিযোগ দায়ের করত না। তবে গত সোমবারের ঘটনায় নিখোঁজ শিশুর পরিবার অভিযোগ করে।

এর পর সোমবার রাতেই অভিযুক্তের খোঁজে নামে পুলিশ। শুক্রবার রিপন স্ট্রিটে জুলফিকারের এক আত্মীয়ের খোঁজ পায় পুলিশ। আর সেখান থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়।

তাকে তোলা হয় ব্যাঙ্কশালের পকসো আদালতে। আদালত জুলফিকারকে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।