বিমান বলতে গেলে এখন প্রয়োজনীয় একটি যান এটি। বিশেষ করে যারা দেশের বাইরে জেতে চান তাদের জন্য, কিন্তু দেশের মধ্যেও এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় জেতে এর প্রয়োজনীয়তা অনেকে। তবে বিমানে ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

অনেক ঝুকিও থাকে। যদি একটু এদিক সেদিক হয় তাহলেই ঘোটতে পারে বিপত্তি। আর সেটিই আবার হয়েছে ইউএস বাংলা বিমানের সাথে।

ঢাকা থেকে কক্সবাজারের পথে রওনা হওয়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স বিএস-১৪১ উড়োজাহাজটি নোজ হুইল আটকে যাওয়ায় সামনের চাকা ছাড়াই বুধবার (২৬ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে।

পাইলটের দক্ষতায় প্রাণে বেঁচে যায় যান্ত্রিক গোলযোগে পড়া উড়োজাহাজটির ১৭১জন আরোহী। অার এ ফ্লাইটের ২৬জন যাত্রীকে বিকেলে বাসে করে কক্সবাজার পাঠিয়েছে উড়োজাহাজ কোম্পানিটির কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইউএস-বাংলার যাত্রীদের নগরীর দামপাড়া স্টেশনে নিয়ে আসা হয়। পরে রিলেক্স পরিবহনের একটি বাস কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন আজিজুর রহমান সিদ্দিকী বলেন, বিমান যাত্রীদের প্রায় সবাই অসম্ভব ভয় পেয়েছেন। তারা বর্তমানে ট্রমায় ভুগছেন। উচ্চ রক্ত চাপ জনিত কারণে আলেয়া বেগম (৪৫) নামে এক যাত্রীকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

দুর্ঘটনার সময় হাত পায়ে ব্যথা পাওয়ায় অনন্ত ১০ জনকে ড্রেসিং করা হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন ৪০ জন। বিমানবন্দরেই তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।’

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ম্যানেজার উইং কমান্ডার সারোয়ার ই জাহান জানান, ইউএস-বাংলার ফ্লাইট বিএস-১৪১ চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণের পর প্রায় পাঁচ ঘণ্টা বিমান চলাচল বন্ধ ছিল।

বিকেল সাড়ে ৫ টার পর শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়। সন্ধ্যা ছয়টার পর বিমান উঠানামা স্বাভাবিক হয়েছে। উড়োজাহাজটির জরুরি অবতরণে রানওয়ের তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি।