সারাদেশে প্রতিনিয়ত ধর্ষণের ঘটনা অহরহ ঘটছে। লম্পটদের লালসার শিকার হচ্ছে দেশের হাজারো নারীও শিশু। তবে এবার ঘটলো এক ভয়ংকর ঘটনা উকিল নানার হাতে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৯ বছরের শিশু। জানা গেছে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনার সাক্ষী হলো টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার গোলাবাড়ী ইউনিয়নের বেলুটিয়া গ্রাম। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
এ ঘটনার ব্যাপারে পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টার দিকে পাশের বাড়ির মৃত মেছের আলী সূত্রধরের ছেলে হাছন আলী (৪০) শিশুটিকে ঘরের ভেতর মাচার নিচ থেকে ইট বের করে দিলে দশ টাকা দেয়ার কথা বলে কৌশলে বাড়িতে ডেকে আনে। দশ টাকার লোভে শিশুটি ঘরের ভিতর মাচার তল থেকে ইট বের করতে থাকে। ইট বের করার একপর্যায়ে দু’একটি ইট বাকী থাকতেই হাছন আলী ঘরের দরজা হঠাৎ বন্ধ করে দেয়।
দরজা বন্ধ করে দিচ্ছেন কেন? আমি মাদ্রাসায় চলে যাব এ বলে শিশুটি ঘর হতে বেরুতে চেষ্টা করলে হাছন আলী মুখে ওড়না পেচিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করতে থাকে। ধর্ষণের একপর্যায়ে হাছনের ছোট ভাই আঃ কাদেরের স্ত্রী কোন এক জরুরি কাজের জন্য হাছনকে ডাকতে গেলে ডাকা ডাকির একপর্যায়ে হাছন দরজা খুলে দিলে কাদেরের স্ত্রী শিশুটিকে উলঙ্গ ও অজ্ঞান অবস্থায় দেখতে পায়। পরে শিশুটির বাড়িতে খবর দিলে বাড়ির লোকজন এসে সেখান থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনার পর থেকেই ধর্ষক হাছন আলী পলাতক অবস্থায় রয়েছেন। পরে ধর্ষিতার বাবা মো. ওয়াহেদ আলী ঘটনাটি গ্রামের মাতাব্বরগণ এবং ইউপি চেয়ারম্যানকে জানালে তারা সালিশি বৈঠক করে ঘটনাটি মীমাংসা করে দিবে বলে জানায়। তিনদিন পরেও ঘটনার কোন বিচার না পেয়ে ধর্ষিতার বাবা মধুপর থানায় এ ব্যাপারে মামলা দায়ের করেন।
এঘটনার ব্যাপারে মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনার বিষয়ে থানায় মামলা হয়েছে। ধর্ষিতা শিশুকে ডাক্তারি পরীক্ষা করার জন্য গতকাল টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে ।ডাক্তারের রিপোর্ট হাতে পেলে আসল ঘটনা জানা যাবে তখন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।





