গত শনিবার সদ্য সমাপ্ত নেপালে চতুর্থ বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিয়ে দেশে ফিরে সফর উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয় আজ ।প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
তিনি যখন গরম বক্তৃতা দেবেন, তখন ধরে নেবেন তার প্লেন রেডি’, ড. কামাল হোসেন সম্পর্কে কথাটি বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ‘যুক্তফ্রন্ট’ নামে নতুন গঠিত রাজনৈতিক জোট ও এর সঙ্গে যুক্ত কয়েকজনকে নিয়ে রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে হাস্যরস করে কিছু মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের জবাবে কি বলবেন সোমবার সাংবাদিকরা জানতে চাইলে ড. কামাল বলেন, এসব নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না।তবে শেখ হাসিনা যে নতুন জোটকে স্বাগত জানিয়েছেন সেটা ইতিবাচক।
জোটের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী যে প্রশ্ন তুলেছেন সে বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা তো ওনার সমর্থনে কিছু করিনি, স্বাধীনভাবে করেছি, তাই এ বিষয়ে তো তিনি প্রশ্ন তুলতেই পারেন।
ড. কামাল হোসেন বলেন, মানুষ এটা ভালোভাবেই জানে যে ২০০৮ সালে আমরা কী করেছিলাম। আমাদের জোটে যারা আছেন, ২০০৮ সালে নির্বাচন হওয়ার ব্যাপারে তাদের কী অবদান সেটা সবাই জানেন।
যুক্তফ্রন্টের এই নেতা বলেন, নতুন জোট চাইছে বাংলাদেশে সত্যিকার অর্থে কার্যকর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে। যদি জনমত নেয়া যায় তাহলে দেখবেন যে, ১০০ ভাগ সমর্থন এর পক্ষে আছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে গত চার-পাঁচ বছরে গণতন্ত্রের কথা বলা হয়েছে কিন্তু সে রকম কিছুই করা হয়নি। মনোনীত লোকজনদের নিয়ে সংসদ বানানো হয়েছে কিন্তু সংসদীয় গণতন্ত্রের নাম গন্ধ কেউ পায়নি।
শেখ হাসিনা বলেছিলেন, আদৌ নির্বাচন হবে কিনা যারা বলেন তারা হয়তো বসে আছেন…কোন কিছু হলে সব উত্তর পাড়ার দিকে তাকিয়ে বসে থাকে। এটাই তো বাস্তবতা।
প্রধানমন্ত্রীর এ কথার জবাবে কামাল হোসেন বলেছেন, ২০০৮ সালে আমরা যা করেছি সেটা তো গোপনে করিনি। আমি মামলা করে সব ভুয়া ভোটার বাতিল করলাম, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করলাম- এসব উত্তর পাড়ার কোন ব্যাপার নয়। তাদের সাথে আমাদের কোনদিন সম্পর্ক ছিল না।
এসময় বিএনপির সঙ্গে যুক্তফ্রন্টের কোনো রাজনৈতিক ঐক্য হওয়ার সম্ভাবনা আছে কিনা জানতে চাইলে কামাল হোসেন বলেন, এ বিষয়ে বিএনপির সঙ্গে তাদের কোনো কথা হয়নি। তবে এ বিষয়ে নীতিগত ইস্যুতে আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে। যদি হয় তখন দেখা যাবে।তবে তা হওয়ার সম্ভাবনা কম।





