সরাদেশে একদল প্রতারেকদের চক্র চলেই থাকে সবসময়।মানুষের সাথে প্রতারণা করে টাকা উর্পাজন করা । অনেকে পরেন সেই পতারনার ফদে পরে নানা ধরনের সমস্যার সম্মূখিন হন ।তবে এবর ঘটল এক ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

ভিন্ন ঘটনা প্রচার করে বিক্রি করা কবিরাজের দেওয়া যৌন উত্তেজক ওষুধ খেয়ে মর্মান্তিক কাণ্ড। এ ঘটনার সাক্ষী হলো নীলফামারী জানা গেছে

নীলফামারীর ডোমারে কবিরাজের দেওয়া যৌন উত্তেজক ওষুধ খেয়ে নাজিমুল ইসলাম (২২) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। অপর তিনজন গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

রোববার(২ সেপ্টেম্বর) লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছে পুলিশ। মৃত নাজিমুল ইসলাম হরিণচড়া ইউনিয়নের শেওটগাড়ী গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে।

জানা গেছে, ডোমার উপজেলার হরিণচড়া ইউনিয়নের হরিহরা গ্রামের আফতাব উদ্দিনের ছেলে ধরনীগঞ্জ হাটের চা বিক্রেতা কবিরাজ সাইফুল ইসলাম শনিবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত ৯ টার দিকে কয়েক জনের কাছে ওষুধ বিক্রি করে।

জানাগেছে, শেওটগাড়ী গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে নাজিমুল ইসলাম (২২), নরেন চন্দ্র রায়ের ছেলে জয়ন্ত রায় (৩০), হরিহরা গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে মিজানুর রহমান (২৫) এবং আব্দুল মান্নানের ছেলে সামসুল হক (২৫) কবিরাজ সাইফুলের ওষুধ সেবন করে। গাছ-গাছরার যৌন উত্তেজক ওষুধ খাওয়ার ঘন্টা খানেক পর তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে।

এরপর বাড়ির লোকজন টের পেয়ে দ্রুত ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাদেরকে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে তাদেরকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে নাজিমুল ইসলামের মৃত্যু হয়। অপর তিন জনের মধ্যে জয়ন্ত কুমার রায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং মিজানুর রহমান ও সামসুল হক দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।তাদের অবস্থা শঙ্কা মুক্ত হয়েছে।

এদিকে এ ঘটনায় আজ সকালে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে নীলফামারী সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্থান্তর করা হয়েছে।এ ঘটনায় মৃত নাজিমুল ইসলামের ভাই বাদী হয়ে ডোমার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে।পুলিশ প্রতারক কবিরাজকে খুজছে গ্রেফতার কারার জন্য।