ধর্ষণ, দিনে দিনে যেন বেড়েই চলেছে এর ভয়াবহতা। কোন ভাবেই যেন এর কোন নিস্পত্তি খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। বরং মেয়েরা অনেকটাই যেন অসহায় এই নিকৃষ্ট কাজের কাছে। শিশু থেকে বৃদ্ধ কেওই এখন আর সুরক্ষিত না। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
একমাসে দুই যুবকের দ্বারা তিনবার ধর্ষণের শিকার উনিশ বছরের এক তরুণী অ্যাসিড খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২২ আগস্ট) ভারতের হাবড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, হাবড়ার হাটথুবার শৌচাগার সাফ করার অ্যাসিড খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে ওই তরুণী। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাবরা হাসপাতাল থেকে তাকে পাঠানো হয় আরজিকর মেডিক্যাল কলেজে। খাদ্যনালীর একাংশ পুড়ে গেছে বলে জানা গেছে। খাদ্যনালীর কিছুটা অংশ কেটে বাদ দিতে হবে বলে জানিয়েছে সেখানকার চিকিৎসকরা।
রোববার (২৬ আগস্ট) হাবড়া থানার পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে তরুণীর জবানবন্দী নিয়েছে। তার বাবা দুই যুবকের নামে ওই দিনই থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরে রাতে বাপন পাল নামে প্রথম বর্ষের কলেজ পড়ুয়া এক তরুণকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ভাস্কর দত্ত নামে অন্য এক অভিযুক্ত পলাতক। তার খোঁজ চলছে।
পুলিশ জানায়, মেয়েটির বাবা পেশায় রাজমিস্ত্রি। দুই ছেলেমেয়ের মধ্যে বড় মেয়ে। মাধ্যমিকের পরে পড়াশোনা করেননি তিনি। বাপনের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জেনেছে পুলিশ। ভাস্কর তার পরিচিত। কিছুদিন আগে ভাস্করের ভাড়া বাড়িতে গিয়েছিলেন তরুণী। সেখানে ভাস্কর তাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। কিছু অশ্লীল ছবিও তুলেছিল। সেই ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে পরে ফের বাড়িতে ডেকে ধর্ষণ করে।
এরই মধ্যে বাপনের হাতেও তিনি অত্যাচারিত হন। বাপনের বাড়ি থেকে দু’জনের সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছিলেন তিনি।
তরুণীর কথায়, ও পালিয়ে বিয়ে করতে বলেছিল। আমি রাজি হইনি। দিন কয়েক আগে মনসা পুজার দিন তরুণীকে ‘বিশেষ দরকার আছে’ বলে ডাক দেয় বাপন। এক বন্ধুর বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে মদ্যপ অবস্থায় তাকে ধর্ষণ করে।
দুই যুবকের হাতে অত্যাচারিত হয়ে ভেঙে পড়েন তরুণী।
সোমবার (২৭ আগস্ট) তার ঠাকুমা কাঁদতে কাঁদতে বললেন, কয়দিন ধরেই নাতনিটা মনমরা হয়েছিল। কী হয়েছে জানতে চাইলেও এড়িয়ে যেত।





