সিলেট নগরীর প্রবেশদ্বার দক্ষিণ সুরমার তেলিবাজারে প্রেমিকাকে জোরপূর্বক অপহরণকালে প্রেমিকসহ ৩জনকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন জনতারা। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে তেলিবাজার পয়েন্টে এই ঘটনাটি ঘটেছে। পুলিশের এক কর্মকর্তা জানায়, প্রেমিক ইমরান আহমদ (২৬) চন্ডিপুল সিএনজি স্ট্যান্ডের চালক। সে গোটাটিকর এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে।

প্রাথমিক স্বীকারোক্তিতে প্রেমিক ইমরান আহমদ পুলিশকে জানায়, নুরজাহান ডিগ্রি কলেজের ছাত্রী রহিমা খাতুন নিপার সাথে তার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। কয়েকদিন থেকে নিপা আমাকে এড়িয়ে চলায় আমি আমার বন্ধুদের নিয়ে নিপার গতিবিধি পরখ করে আসছিলাম।

এদিকে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নিপা কলেজ থেকে নানার বাড়ি বলদী যাবার পথে, সিএনজি নিয়ে তেলিবাজারে আগে থেকে ওঁত পেতে থাকা প্রেমিক ইমরান নিপাকে বহনকারী সিএনজি দেখামাত্র বন্ধুদের সহায়তায় নিপাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়।

এ ঘটনার প্রত্যক্ষকারীরা এক পর্যায় গাড়িটি ধাওয়া করে সিলেট-সুনামগঞ্জ রোডের লতিপুর নামক স্থানে অপহরণকারীদের আটক করে গণধোলাই দেয়। গণধোলাই এর জনতারা ওই তিন বখাটেদেরকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন।

এদিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত অনেকের সাথে কথা বলে জানা যায়, এ ধরনের ঘটনা প্রায় ঘটতে শোনা গেলেও হাতেনাতে ধরা যায়না। অপরদিকে, উত্তেজিত এলাকাবাসী ঘটনাটি শুনে থানায় এসে ভিড় করে অপহরণকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।

আর এ বিষয়ে কথা হয় দক্ষিণ সুরমা থানার অফিসার ইনচার্জ খায়রুল ফজল সাহেবের সাথে। তিনি জানান, এক কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ করে পালিয়ে যাওয়ার সময় তিন যুবককে জনতা আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। খায়রুল ফজল সাহেবের আরও জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ সবধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।