গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে সিলেট মহানগরীর কালিঘাট এলাকার সোনালী ব্যচেলর পতিতা স্পট থেকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মহিলাসহ ১৩ জনকে আটক করেছে। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আটককৃতদের মধ্যে সাতজন যুবতী মহিলা ও পাঁচজন যুবক রয়েছেন। এদের মধ্যে তিনজন যুবকের নাম পাওয়া গেলেও অন্যদের নাম ঠিকানা তাৎক্ষণিখভাবে জানাতে পারেনি পুলিশ । এরা হলেন, সোনালী ব্যচেলর পতিতা

স্পটের মালিক বিপ্রেস চক্রবর্তী ও হোটেল সুপারভাইজার তাজু (ওরফে) কানা তাজু, ম্যনেজার আইনুল। এই কানা তাজু দীর্ঘদিন যাবৎ সিলেটের বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে দেশের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে পতিতা যুবতীদের এনে রমরমা বাণিজ্যে চালিয়ে যাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায় ।

এদিকে আরো একটি সূত্র জানায়, পতিতাদের গডফাদার কানা তাজুর নিকট থেকে প্রতিদিন রাতে বড় অংকের চাঁদা আদায় করেন সিলেট এসএমপি কোতোয়ালি থানা পুলিশ,বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ি,লামাবাজার পুলিশ ফাঁড়ি ও সোবহানিঘাট পুলিশ ফাঁড়ির কতিপয় অসাধু পুলিশ কর্মকর্তা ও কতিপয় সংবাদকর্মীরা। বুধবার দিবাগত রাত একটায় সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার গোলাম কিবরিয়ার নির্দেশে পুলিশের একটি বিশেষ টিম সোনালী সোনালী ব্যচেলর পতিতা স্পটে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে হাতেনাতে আটক করে।

এ ঘটনার ব্যাপারে জানতে এসএমপি কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ মোশাররফ’র সাথে মোবাই ফোনে আলাপকালে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আটককৃতদের মধ্যে সাতজন যুবতী মহিলা ও ছয়জন যুবক পুরুষ রয়েছেন। এদের মধ্যে দু’জনের নাম ঠিকানা তাৎক্ষণিখভাবে জানা গেছে অন্যদেরও ব্যাপারে খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে । অপর এক প্রশ্নের জবাবে ওসি কোন সদ্বত্তোর না দিয়েই ফোনের সংযোগ কেটে দেন। পরে বারবার কল দিলেও তিনি আর কল রিসিভ করেননি।