দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম জিয়া।অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় জামিন পেলেও এখনো ছাড়া পাচ্ছেন না তিনি। অন্যান্য ,মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে রাখা হচ্ছে খালেদা জিয়াকে। মুক্তি পাচ্ছেন না এ নেএী।তবে এবার দারুণ এক সুখবর পেলেন কাগাগারে বসে। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

স্বাধীনতাযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে নড়াইলে দায়ের করা মানহানি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ছয় মাসের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।সোমবার দুপুরে বিচারপতি মোহাম্মদ আব্দুল হাফিজ ও বিচারপতি কাশেফা হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী প্যানেলের সদস্য ব্যারিস্টার এ কে এম এহসানুর রহমান।

এর আগে গত ৫ আগস্ট নড়াইলের একটি আদালত এ মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। পরে গত ৯ আগস্ট এ মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন দাখিল করা হয়। সে আবেদনের উপর শুনানি নিয়ে আজ এ আদেশ দেন আদালত।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ঢাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশে খালেদা জিয়া তার বক্তব্যে স্বাধীনতাযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক আছে বলে মন্তব্য করেন। এ ছাড়া একই সমাবেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম উল্লেখ না করে তাকে (বঙ্গবন্ধু) ইঙ্গিত করে খালেদা জিয়া বলেন, তিনি স্বাধীনতা চাননি। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন, স্বাধীন বাংলাদেশ চাননি। তার এই বক্তব্য বিভিন্ন সংবাদপত্র ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচার হয়।

পরে নড়াইলের চাপাইল গ্রামের রায়হান ফারুকী ইমাম বাদী হয়ে ২০১৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর দুপুরে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নড়াইল সদর আমলি আদালতে মানহানি মামলা দায়ের করেন।

উল্লেখ্য,গত ৮ ফেব্রুয়ারি বকশীবাজারে কারা অধিদফতরের প্যারেড গ্রাউন্ডে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন।বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।