ছাত্র আন্দোলন নিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথোপকথনকারী ব্যারিস্টার মিলহানুর রাহমান নাওমির দুই মামলায় ১২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আজ সোমবার ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নূর এ রিমান্ডের আদেশ দেন।

এর মধ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের একটি মামলায় পাঁচ দিন এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনের অপর মামলায় সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।

উভয় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক আনিছুর রহমান আসামিকে আদালতে হাজির করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় সাত দিন এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, ওই আসামি গত ৪ আগস্ট বেলা ৩টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিএনপি নেতা আমির খসরু মাহমুদের সঙ্গে ফোনালাপ করেন। ওই ফোনালাপে নেতা কর্মীদের ও ৪০০ থেকে ৫০০ জন ছেলে নিয়ে কুমিল্লায় হাইওয়েতে আন্দোলন না করে ঢাকায় এসে ঢাকা আচল করে দিতে বলা হয়। উক্ত নির্দেশ পাওয়ার পর নওমী অজ্ঞাতনামা আসামিদের নিয়ে ঢাকায় এসে শাহবাগ এলাকায় গাড়ী ভাংচুর করেন।

প্রসঙ্গত, গত ৪ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফোনালাপের ওই অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়। এটি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বলে অভিযোগ উঠে। এরপর গত ৫ আগস্ট কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার দেউরা গ্রাম থেকে মিলহানুর রাহমান নাওমিকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। নাওমি লন্ডনের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বার অ্যাট ল ডিগ্রি অর্জন করেন।

এদিকে রমনা থানার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের আরেকটি মামলায় মো. আলমগীর হোসেন, মাহবুবুর রহমান আরমান ও সাইদুল ইসলাম তহিদ নামে তিন জনের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে একই আদালত।

নিরাপদ সড়কের দাবীতে হওয়া ছাত্র আন্দোলন নিয়ে ফেসবুকে গুজব ছড়ানোর একটি মামলায় এই রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।