এক বছর ঝুলে থাকার পর নতুন সড়ক পরিবহন আইনের অনুমোদন দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়। গতবছর আইনের খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছিল মন্ত্রিসভা। রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

নিহতের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের মধ্যে নতুন এই আইনের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত অনুমোদনের পর এটি তোলা হবে জাতীয় সংসদে।

এদিকে অনুমোদিত সড়ক পরিবহন আইন ক্রটিপূর্ণ ও অগ্রহণযোগ্য উল্লেখ করে এটি সংশোধনের দাবি জানিয়েছেন নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন।

আজ সোমবার (৬ আগস্ট) রাজধানীর কাকরাইলে সংবাদ সম্মেলন করে এই দাবি জানান তিনি। বলেন, দুর্ঘটনায় ৫ বছর কারাদণ্ডের যে শাস্তি রাখা হয়েছে তা অপর্যাপ্ত।

এই আইনে গাড়ি চালকের শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি ও হেলপারের পঞ্চম শ্রেণি রাখার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ইলিয়াস কাঞ্চন। বলেন, হেলপাররা সারাজীবন হেলপার হিসেবেই থাকবে না; পরবর্তীতে তারা চালক হবে; সেক্ষেত্রে তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা কী হবে?

সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যমান আইনের নাম নিয়ে আপত্তি জানিয়ে এটিকে দ্রুত ‘সড়ক পরিবহন ও নিরাপত্তা আইন’ করার দাবি জানান নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন। শুধু চালক নয়, বরং সড়ক সংশ্লিষ্ট সবাইকে আইনের আওতায় আনার জোর দাবিও জানান তিনি।

এদিকে সড়ক দুর্ঘটনায় সর্বোচ্চ ৫ বছরের সাজা ও নিহত হওয়ার বিষয়টি হত্যা প্রমাণ হলে ফৌজদারি আইনের মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে সড়ক পরিবহন আইনের খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে আইনটির অনুমোদন দেয়া হয়।