এক বছর ঝুলে থাকার পর নতুন সড়ক পরিবহন আইনের অনুমোদন দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়। গতবছর আইনের খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছিল মন্ত্রিসভা। রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
নিহতের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের মধ্যে নতুন এই আইনের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত অনুমোদনের পর এটি তোলা হবে জাতীয় সংসদে।
আর এরই প্রেক্ষিতে রাজপথ ছেড়ে ক্লাসে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের ৯ দফা দাবি বাস্তবায়নে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করে শিক্ষার্থীরা এ ঘোষণা দেয়।
আজ সোমবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন আয়োজিত নিরাপদ সড়ক ও আমাদের করণীয় শীর্ষক মুক্ত আলোচনায় বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। সেখান থেকে এ ঘোষণা আসে। তাদের এ ঘোষণা স্বাগত জানিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন বলেছেন, তোমরা ক্লাসে ফিরে যাও, তোমাদের যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়নে আমাদের যতটুক করণীয় সেটা করবো।
রাইফেলস পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষার্থী বলেন, সরকার আমাদের দাবি মেনে নিয়েছে আমরা ক্লাসে ফিরে যেতে চাই। তাছাড়া প্রত্যেক স্কুলের সামনে ট্রাফিক পুলিশের ব্যবস্থা করার জন্য মেয়রের কাছে অনুরোধ জানাই। আজিমপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের প্রত্যেক শিক্ষার্থীর দাবি ছিল নিরাপদ সড়ক। সরকার আমাদের সেই দাবি মেনে নিয়েছে। সেজন্য আমরা সবাই ক্লাসে ফিরে যাবো।
ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষ থেকে আজিমপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অপর এক শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের আন্দোলন কীসের জন্য? আমরা একটি নিরাপদ সড়ক চাই। কিন্তু সেই দাবি আদায়ের আন্দোলন করতে গিয়ে দেখেছি পুলিশ তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করে না। তারা এটা না করলে কীভাবে নিরাপদ সড়ক হবে?
ঐ শিক্ষার্থী আরও বলেন, আমাদের স্কুলের পক্ষ থেকে বলতে চাই আমাদের দাবি সরকার মেনে নিয়েছে। আমরা আর রাজপথে থাকবো না ক্লাসে ফিরে যাবো। বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে নিরাপদ সড়ক বিষয়ক আলাদা বিভাগ খোলার প্রস্তাব করছি। তাছাড়া নিরাপদ সড়কের জন্য আমাদের ব্যবহার করা যেতে পারে।
উল্লেখ্য, রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে দুই শিক্ষার্থী বাসচাপায় নিহতের ঘটনায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন করে শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ৯ দফার দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত তারা রাস্তা ছাড়বেন না। তাদের সব দাবি ন্যায বলে সরকার তা মেনে নেয়। অবশেষে এই সমস্যার একটি সুরাহা হলো।





