ধানমন্ডি ৩/এ তে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির কার্যালয়ে ৪ জনকে হত্যা এবং ৪ মেয়েকে ধর্ষণের গুজব ছড়ানোতে একজন তরুণের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ এবং একজন তরুণী নিজে থেকে ফেসবুক লাইভে এসে এই কথা প্রচার করেছেন। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
এর বাইরে একজন তরুণ, দুটি তরুণী এমনকি একটি শিশুকে দিয়ে সাক্ষাৎকারের মতো করে এই কথাটি ছড়ানো হয়েছে। প্রতিটি ঘটনাতেই দেখা গেছে, একজন তরুণ পেছন থেকে রেকর্ড করেছেন সবগুলো। সেগুলো যে একই তরুণের কাজ, সেটি স্পষ্ট এসব বক্তব্য দেয়ার সময় তাদেরকে যে প্রশ্ন করা হয়, সেটি একই কণ্ঠের।
অবশ্য ওই তরুণ একা ছিলেন না, সেটাও স্পষ্ট। যদিও তিনি বা তার দল কেউ ছবিতে আসেননি। বোরকা পড়া ও মুখ ঢাকা এক তরুণী চিৎকার করে বলছিলেন, ‘জিগাতলাতে তাদের পার্টি সেন্টারে অনেক অনেক মেয়েকে রেপ করা হচ্ছে। প্লিজ কিছু করেন।’ যখন এটি রেকর্ড করা হচ্ছিল, তখন দুই তরুণকে পেছন থেকে দেখা যায়। তবে তারা ক্যামেরার সামনে আসেনি। ফলে তাদের চেহারা দেখা যায়নি।
চারজন মেয়ে ডাইরেক্ট রেইপড’-গায়ে পোশাক না থাকা এবং মাথায় ব্যান্ডেজ বাধা যে তরুণ একটি সাক্ষাৎকারে এই কথা বলছিলেন, সেখানে সাক্ষাৎকারের মতো করেই নানা প্রশ্ন করা হয়। এখানে ছেলেটি তার পরিচয় হিসেবে ‘আমি বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আবদুর রউফ পাবলিক স্কুলের স্টুডেন্ট ছিলাম, এখন পরীক্ষা দিয়ে বাইর হয়ে গেছি’ বলে জানান। কিন্তু এখন তিনি কোথায় পড়েন না বলেননি।
‘আমাদের ভিডিওটা ভাইরাল করেন’ বলে একই ভিডিওতে যে তুই তরুণীকে মুখ ঢাকা অবস্থায় কথা বলতে দেখা যায়, তাদেরও সাক্ষাৎকারের মতো করে নেয়া হচ্ছিল। সেখানে একটি বুম ধরে তাদের কথা রেকর্ড করা হয়। কিন্তু যিনি বুমটা ধরেছিলেন, তাকে দেখা যায়নি।





