সারাদেশে প্রতিনিয়ত আজব ঘটন ঘটে থাকে।যর সব ঘটনার চিএ আমদের সমানে আসেনা কিছু কিছু ঘটনার চিএ আমাদের সামনে আসে যা আমরা জানতে পারি।এরকমি এক অবাক করারা মত এক ঘটনা ঘটলো ময়মনসিংহে । জানা গেছে ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
ময়মনসিংহের নান্দাইলে মেয়েকে সুখে রাখার লোভে নবম শ্রেণি পড়–য়া ছাত্রীর বাবা ফারুক একই গ্রামের পল্লী চিকিৎসক মিজানুর রহমান মিন্টু (৪৫)র সাথে বিয়ে দেন। ঘটনাটি ঘটেছে নান্দাইল উপজেলার বীরখামটখালি গ্রামে। মৃত মফিজ উদ্দিনের পুত্র মিজানুর রহমান মিন্টু তাঁরই মেয়ের বান্ধবী বীরখামটখালি জেবি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির ছাত্রী লিমা আক্তারকে বুধবার নিবন্ধন ও নিকাহ রেজিস্ট্রারি ছাড়াই মুন্সী দিয়ে দোয়া পড়িয়ে ঘরে তুলে নিয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিজানুর রহমান মিন্টু স্থানীয় বাজারে ‘চাঁদ মেডিকেল হল’ নামে একটি ওষুধের দোকান রয়েছে তাঁর।দেড় মাস আগে হঠাৎ মিন্টুর স্ত্রী দুই কন্যা সন্তান রেখে মারা যায়। এরপর থেকেই পল্লী চিকিৎসক বিয়ে করার জন্য কন্যা খোঁজাখুজির একপর্যায়ে বাড়ির পাশের মো. ফারুক মিয়ার স্কুলপড়ুয়া মেয়ে ও তাঁর (মিন্টুর) মেয়ের বান্ধবী লিমা আক্তারের দিকে চোখ পড়ে। তাকে বিয়ের জন্য পরিবারের কাছে প্রস্তাব পাঠান মিন্টু।
প্রতিবেশীরা জানায়, মেয়ে অপ্রাপ্তবয়স্ক এবং বান্ধবীর বাবার সাথে প্রথমে বিয়েতে রাজি ছিল না কনের পরিবার।বাল্যবিয়ের শিকার মেয়ের মা সেলিনা বেগম বলেন, ‘বিয়ের আলোচনা চলতাছে। কথাবার্তা ঠিক অইলে অহনি বিয়া পড়াইতাম না।’
এ ঘটনার ব্যপারে নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (দায়িত্বরত) মাহমুদা আক্তার বলেন, এ ব্যপারে শুষ্ঠ তদন্ত করে বর ও মেয়ের পরিবারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।তবে এমন ঘটনা দুঃখজনক। সমাজে এমন ধরনের কর্মকান্ড এখনো ঘটে সচেতনেতার অভাবে।





